Latest Post


কি করলে আমাদের মস্তিস্ক তীক্ষ্ণ হয়ে উঠবে?


আমাদের মস্তিস্কের যেই ডান আর বাম এ দুইটি ভাগ রয়েছে এদের কার্যকলাপ হলো বা দিকের মস্তিস্কের আর ডান দিকের মস্তিকের আলাদা আলাদা স্বভাব আর বৈশিষ্ট রয়েছে। ডান দিকের যেই অংশ টা রয়েছে তা নিয়ন্ত্রন করে আবেগ কল্পনা, ঘুম, বিশ্বাস, স্বপ্ন আধ্যাতিক চিন্তা ভাবনা সৃজনশিলতা ইত্যাদি। যেমন ধরুন আপনি একটি গান শুনে আবেগ পুর্ন হয়ে যাচ্ছেন বা কারো কান্ন দেখে নিজেও দুঃখ বোধ করছেন এধরনের কাজে ডান মস্তিস্ক ব্যাবহৃত হয়। আর বাদিকের মস্তিস্ক ব্যাবহৃত হয় কোনো হিসাব-নিকাস, ভাষা বুঝতে পারা, তালিকার ছক তৈরি করে নেওয়া ভেবে নেওয়া,যুক্তি, লেখালেখি, বৈজ্ঞানিক দক্ষতা এগুলোর ওপর ব্যবহার হয়ে থাকে। আইনস্টাইন এর এই বৈজ্ঞানিক দক্ষতা যুক্তি এই অংশ টি যে প্রান্তে থাকে অর্থাৎ বা পাশের মস্তিস্ক টি সাধারন মানুষের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বেশি ছিলো। কেননা তিনি সব সময় প্রশ্ন করতেন নিজেকে। তাও সেগুলো ছোটখাটো প্রশ্ন। দুই আর দুই যোগ করলে কেনো ৪ হয়। ৫ ও তো হতে পারতো। কেনো ৪ হবে এধরনের প্রশ্নেই তিনি সারাদিন ব্যাস্ত থাকতেন। ফলে পরিক্ষার খাতায় তাকে পেতে হয় লাল কালিতে লেখা Fail শব্দ টি। এজন্য তার guardian কেও ডাকা হয় স্কুলে। এবং সর্বশেষে তাকে বের করে দেওয়া হয় স্কুলে। কিন্তু তারপরেও তার চিন্তা ভাবনার পার্থক্য ঘটে না। একদিন তিনি এরকম চিন্তা করতে করতেই বাসা থেকে বের হয় এবং এতোটায় গভির চিন্তা করতে করতে থাকেন যে অপ্রত্যাশিত ভাবে তিনি তার বাসার address টায় ভুলে যান। বাধ্য হয়ে আশেপাশের মানুষজনকে তিনি প্রশ্ন করতে থাকেন আমার বাসা কোথায়। সেইদিন সবাই তাকে পাগল বলেছিলো। কিন্তু সেই পাগল টিই বদলে দিলো বিজ্ঞানের গতিপথ। আমাদের পৃথিবির প্রত্যেক টা বস্তুই অনু আর পরমানু দ্বারা গঠিত। আমরা যে পানির একটি কনা দেখি এটাও হাজার হাজার কোটী পরমানু দ্বারা গঠিত। এই আইন স্টাইন ই বের করলেন যে বিশেষ একটি পরমানুর আইসোটোপ এর সাথে আরেকটি আইসোটোপ এর ধাক্কা লাগলেই পুরো পৃথিবি ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব। এর জন্য শক্তির একটি সুত্র দিয়ে গেলেন তা হলো সেই বিখ্যাত E=Mc2। যেই পারমানবিক বোমাটি হিরোশিমাতে ফেলা হয়। আজো শেখানে গাছপালা জন্মায় না।
ভাবতে অবাক লাগে তাইনা ? যে আমাদের শরিরেই এই চামড়াতেই যে কনা আছে তার মতন এরকম ছোটো খাটো কনার ভেতরে এতোশক্তি যে পুরো বিশ্ব ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব। তাই মস্তিস্ক বৃদ্ধির জন্য শুরু করুন প্রতিদিন নিজের মস্তিস্ক চর্চা। এটা হতে পারে brain games খেলা বা হতে পারে অংক সমাধান বিভিন্ন কিছু।
Brain Games – মস্তিস্ক চর্চাঃ আপনার কাছে এমন একটি ফ্রাইংপ্যান আছে যা দিয়ে এক সঙ্গে দুইটি রুটি ছেকা যায়। একটি রুটির এক পিঠ ছেকতে সময় লাগে ১ মিনিট। যদি একটি রুটির দুই পিঠই ছেকা যায় তবে রুটিটি সম্পুর্ন ছেকা হবে। তাহলে ৩ মিনিটে কিভাবে ৩টি রুটিই সম্পুর্ন ছেকা যাবে ?
Brain Games – মস্তিস্ক চর্চা :
প্রতিবারের মতন এবারো বেশ জাকিয়ে শীত পড়েছে। তুষারপাত হওয়াটা প্রতিদিনের অভ্যাস। এমনই দিনে ঘটে গেলো একটি দুর্ঘটনা। ইমন সাহেব খুন হন তার বাসাতে। ঘটনার তদন্ত করতে পুলিশের উপস্থিতি সেখানে। পুলিশ বাসার প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন
কাজের মেয়েঃ আমি ঘর পরিস্কার করছিলাম
ইমন সাহেবের ছেলেঃ আমি টিভি দেখছিলাম
বাটলারঃ আমি সুইমিংপুল পরিস্কার করছিলাম
ইমন সাহেবের স্ত্রীঃ আমি রান্না করছিলাম
কিছুক্ষন চিন্তা ভাবনার পর এবার পুলিশ ধরে নিয়েগেলো আসল খুনিকে। প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে পুলিশ খুনিকে ধরে ফেললেন?
Brain Games – মস্তিস্ক চর্চা :  এইটি অধিকাংশ সময়েই মানুষ ভুল করে থাকে। দেখি আপনারা করেন কিনা।  ৫টি মেশিন ৫ মিনিটে ৫টি T-Shirt তৈরি করে। তাহলে ১০০ টি মেশিন ১০০টি T-Shirt কত মিনিটে তৈরি করবে?


এক নজরে দেখে নিন বলিউডের সেরা ১০ ধনী অভিনেতা


বর্তমানে সিনেমার বাজেট বাড়তে বাড়তে আকাশ ছুঁই ছুঁই অবস্থা। এতে উল্লেখ্যযোগ্য হারে আয় বাড়ছে অভিনেতা-অভিনেত্রীর। আজ জেনে নিই বলিউড অভিনেতাদের মাঝে আয়ের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছেন কে কে।
১) শাহরুখ খান২রা নভেম্বর, ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন শাহরুখ খান। শাহরুখ খান একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক এবং টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব। শাহরুখ খান শুধু বলিউডের ধনী ব্যক্তি নয়, তিনি বিশ্বের শীর্ষ ধনী অভিনেতাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। তিনি প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করছিলেন তার পিতামহের সাথে। ৩০০টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন যেখানে ২২৬ বার বিভিন্ন চলচ্চিত্র পুরস্কার মনোনীত হন এবং তাদের মধ্যে ২০৭ টিতে জয়ী হন, যার মধ্যে ২৯ টি সেরা অভিনেতা হিসেবে পুরস্কার পান। শাহরুখের মোট সম্পদের পরিমাণ ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
(২) অমিতাভ বচ্চন১১ ই অক্টোবর, ১৯৪২ সালে জন্মগ্রহণ করেন অমিতাভ হারিভানশ বচ্চন। তিনি একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা। বলিউডের এংরি ইয়ং ম্যান ও শাহানশাহ খ্যাত অমিতাভ বচ্চন তার চল্লিশ বছরের অভিনয় জীবনে ১৮০ টিরও বেশি হিন্দী সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। বচ্চন পরিবার বলিউডের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও ধনী পরিবারগুলোর একটি। নায়ক হিসেবে অভিনয় করে নিজেকে জনপ্রিয়তার অন্য রকম উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন এ অভিনেতা, যিনি অনেকের কাছেই আদর্শ। এছাড়া রিয়েলিটি টিভি শো কৌন বানেগা ক্রোড়পতি দিয়েও তিনি এখনো দর্শক মাতিয়ে রাখছেন। অমিতাভের মোট সম্পদের পরিমাণ ৪০২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
(৩) সালমান খান
১৯৬৫ সালের ২৭ শে ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন আবদুল রশিদ সালমান খান, যিনি ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক এবং টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব। সালমান খান ম্যায়নে পেয়ার কিয়া সিনেমাতে অভিনয়ের জন্য সেরা নবাগত নায়ক হিসেবে ফিল্মফেয়ার এওয়ার্ড পান। সেই থেকে এখন অবধি বলিউডের তিন প্রভাবশালী খানদের একজন সালমান খান। বিগ বস অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করে তিনি ব্যপক জনপ্রিয়তা পান। আর হাম আপকে হ্যায় কৌন, এক থা টাইগার, দাবাং ২ ইত্যাদি ব্লবাস্টার সিনেমা দিয়ে তিনি নিজেকে নিয়ে গিয়েছেন অন্য রকম জনপ্রিয়তায়। তার অভিনীত ৮ টি ছবি ১০০ কোটি মুভি ক্লাবের খাতায় নাম লেখায়। সালমানের মোট সম্পদের পরিমাণ ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
(৪) আমির খান
১৯৬৫  সালের ১৪ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন আমির খান একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক এবং প্রযোজক। কেয়ামত সে কেয়ামত তাক সিনেমাতে জুহি চাওলার সাথে অনবদ্য অভিনয় দিয়ে আমির খানের নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে। বলিউডে তিনি মিস্টার পারফেকশনিস্ট হিসেবে খ্যাত। উচ্চতা খুব বেশি না হলেও নিজের দক্ষতা ও প্রতিভা দিয়ে তিনি একইসাথে একশন ও রোমান্টিক নায়ক হিসেবে বিপুল জনপ্রিয়। এছাড়া আমির খান গত বছর সত্যমেভ জয়তে নামের টিভি অনুষ্ঠান নিয়ে হাজির হন, যা পুরো ভারতে সাড়া ফেলে দেয়। ইউনিসেফ তাকে পুষ্টি বিষয়ে সচেতন করার প্রচারণায় তাকে দূত হিসেবে মনোনীত করেছে। তার থ্রি ইডিয়টস ছবিটি বলিউডের সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অর্থ উপার্জনকারী ছবি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
(৫) অক্ষয় কুমার
৯ই সেপ্টেম্বর, ১৯৬৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন রাজিব হরি ওম ভাটিয়া, যিনি তার নাম ‘অক্ষয় কুমার’ নামে পরিচিত, একজন ভারতীয় অভিনেতা, প্রযোজক এবং মার্শাল শিল্পী যিনি শতশত হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। খিলাড়ি অক্ষয় কুমারের পুরো জীবন যেন সিনেমারই গল্প। স্টান্ট ম্যান থেকে জনপ্রিয়তম চলচ্চিত্র অভিনেতা হয়ে ওঠার গল কিন্তু এক দিনের নয়। ১০০ টিরও বেশি সিনেমাতে অভিনয় করা অক্ষয় এখনো অভিনয় করে যাচ্ছেন সমান জনপ্রিয়তা নিয়ে। খিলাড়ি, ম্যায় খিলাড়ি তু আনারি, ধাড়কান, হাউসফুল, হাউসফুল ২, রাওডি রাঠোর ইত্যাদি সিনেমাগুলো রেকর্ড পরিমাণ ব্যবসা করতে সক্ষম হয়। অক্ষয়ের মোট সম্পদের পরিমাণ ৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

(৬) ধার্মেন্দ্র 
৪ই ডিসেম্বর, ১৯৩৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন ধার্মেন্দ্র, তিনি একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।
 ১৯৯৭ সালে, হিন্দি সিনেমায় তাঁর অবদানের জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার লাইফ টাইম অখিভমেন্ট পুরস্কার পান। অ্যাকশন চলচ্চিত্রে অভিনয় তাঁর ভূমিকায় তাঁকে ‘অ্যাকশন কিং’ এবং ‘হের-ম্যান’ নামে ডাক নাম দিয়েছিল। তার মোট সম্পদের মূল্য ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা তিনি ১৯৬০ সালে দিল ভী তার হেরাৎ তীর থেকে শুরু করে অনেকগুলি চলচ্চিত্র থেকে অর্জন করেছেন। দীর্ঘদিনের কর্মজীবনে ধার্মেন্দ্র ১০০ টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন যা তাকে সুপরিচিত হয়ে উঠেছে বলিউড শিল্প।
(৭) রণবীর কাপুর
১৯৪২ সালের ২৪ শে সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন রণবীর কাপুর, তিনি একজন ভারতীয় অভিনেতা।
 বলিউডের চলচ্চিত্রে তাঁর কর্মজীবনের মাধ্যমে তিনি সবচেয়ে জনপ্রিয় সেলিব্রিটি এবং ভারতে সর্বোচ্চ বেতনভোগী অভিনেতাদের অন্যতম। তিনি পাঁচটি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস সহ বিভিন্ন পুরষ্কারের প্রাপক। যেহেতু তার নেটভিত্তিক বিষয়ে উদ্বিগ্ন, এটি তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ অর্জনের সর্বোচ্চ চিত্র। কিন্তু আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বার্ষিক ভিত্তিতে ৩০ কোটি রুপি আয় করেন, যেমন ‘ইয়ে ইয়ুওয়ানি হ্যায় আবাসণী’ এর সাফল্যের পর তিনি প্রতি মুভিতে ১৫ কোটি থেকে ২০  কোটি টাকা আয় করেন। তার মোট সম্পদের মূল্য ৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
(৮) জন আব্রাহাম
১৭ ই ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে জন্মগ্রহণ করেন জন আব্রাহাম একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, এবং একটি প্রাক্তন মডেল। অনেক বিজ্ঞাপনে এবং কোম্পানীর জন্য মডেলিং পরে, অব্রাহাম জিসম এর মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রের প্রথম আসর তৈরি করেন, যা তাকে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কারের মনোনয়ন প্রদান করে।সফল নাম হিসেবে পরিচিত জন আব্রাহাম এবং ৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মালিক তিনি।
(৯) ইরাফান খানে১৯৬৭  সালের ৭ জানুয়ারি সাহাবজাদ ইরাফান খানের জন্ম হয়। ইর্ফান খান বা কেবল ইরফান একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা যিনি হিন্দি সিনেমায় প্রধানত তাঁর কাজের জন্য পরিচিত। তিনি ব্রিটিশ চলচ্চিত্রে এবং হলিউডের জন্যও পরিচিত। ইরফান খান এর জুরাসিক ওয়ার্ল্ড বিশ্বব্যাপী ৫১১ মিলিয়ন ডলারের একটি বিলাসবহুল খোলার মাধ্যমে সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে যা সবচেয়ে বড় উদ্বোধনী। বিভিন্ন চলচ্চিত্রে অভিনয়ের দক্ষতা এবং দক্ষতার উপর ভিত্তি করে, ইরাফান ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মালিক।
(১০) হৃতিক রোশন
১৯৭৪ সালের ১০ ই জানুয়ারী জন্মগ্রহণ করেন হৃতিক রোশন, একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা যিনি বলিউড থেকে ছয় ফিল্মফেয়ার পুরষ্কার জেতার পর থেকেই বলিউডের সফল কর্মজীবন শুরু করেছেন এবং ভারতের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষের কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। তিনি ভারতীয় সিনেমার একটি হটশট সুপারস্টার হিসেবে তার সম্পদের মূল্য প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ডলারের। তিনি বলিউডের সুপারস্টার যিনি শিশু হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক অভিনেতা হিসেবে তার খ্যাতি অর্জন করেন।


এইচটিটিপি এবং ইউআরএল কি?

আপনাদের সকল কে শুভেচ্ছা । ওয়েব ডিজাইন এ আপনাদেরকে স্বাগতম।  ওয়েব ডিজাইন ও  ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে আমি চেইন টিউটোরিয়াল লিখবো। আশা করি আপনারা আমার সাথে থাকবেন।
এইচটিটিপি ঃ 
এইচটিটিপি হাইপার টেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল বা এইচটিটিপি হচ্ছে ইন্টারনেটে তথ্য আদান প্রদানের একটি জনপ্রিয় ও বহুল প্রচলিত পদ্ধতি। পদার্থবিদ ও কম্পিউটার বিজ্ঞানী  টিম বার্নার্স লী ১৯৮৯ সালে এই পদ্ধতিটি তৈরি করেন। এইচটিটিপির প্রথম সংস্করণ হল এইচটিটিপি/১.১, যা ১৯৯৭ সালে আরএফসি ২০৬৮ নামে প্রথম ব্যবহৃত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে আরএফসি ২৬১৬ এবং ২০১৪ সালে আরএফসি ৭২৩০ প্রচলিত হয়।
এইচটিটিপি/১.১ এর পরের সংস্করণ এইচটিটিপি/২ তৈরি করা ২০১৫ সালে এবং এটি বর্তমানে বড় বড় ওয়েব সার্ভার ও ব্রাউজারে এএলপিএন এক্সটেনসনের মাধ্যামে টিএলএস দিয়ে ব্যবহৃত হয়। এসকল ক্ষেত্রে টিএলএস ১.২ বা এর নতুন সংস্করণ প্রয়োজন।
ইউআরএল ঃ
ইউনিফর্ম রিসোর্স লোকেটার এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ইউআরএল (URL). এটি তথ্য সমুহের একটি রেফারেন্স যেখানে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে প্রবেশ করা হয়। সাধারণ URL এর একটি উদাহরণ : https://sisangram.blogspot.com/. এটাকে ওয়েব লিংক, ওয়েব এড্রেস বলা হয়।


হাই পেজ রেঙ্ক ফ্রী ডিরেক্টরি লিষ্ট


ব্লগার এবং ওয়েব মাষ্টারদের কাছে হাই পেজ রেঙ্ক ফ্রী ডিরেক্টরির চাহিদা অনেক। এই ডিরেক্টরিগুলো আপনার সাইটের ভিজিটর এবং পেজ রেঙ্ক বাড়াতে অনেক সাহায্য করবে। অনেক ডিরেক্টরি আছে যেখানে সাইট সাবমিট করতে অনেক অথ্য ব্যয় করতে হয়, তবে চিন্তার কোন কারন নেই। নিচের সাইটগুলিতে লিংক সাবমিট করতে কোন ব্যয়  হবে না। তাহলে আর দেরি কেন ঝটপট আপনার সাইটটি নিচের ডিরেক্টরি গুলোতে সাবমিট করে ভিজিটর আর পেজ রেঙ্ক বাড়িয়ে নিন। কোন ডিরেক্টরিতে সাইট সাবমিট করার আগে অবশ্যই প্রাইভেসি পলিসি ভালোভাবে পড়ে নিবেন। তাহলে আপনার সাইট ঠিকমত রেঙ্ক করবে। তা না হলে অনেক ঝামেলা হবে।
  • http://boingboing.net
  • http://infomine.ucr.edu
  • http://envirolink.org
  • http://ilovelanguages.com
  • http://www.dmoz.org
  • http://www.sitepromotiondirectory.com
  • http://www.canadaone.com
  • http://www.worldweb.com
  • http://reenic.utexas.edu
  • http://www.manta.com


বাউন্স রেট কি এবং কিভাবে কমাবেন এই বাউন্স রেট?


বাওন্স রেট সম্পর্কে আপনারা  অনেকেই জানেন আবার অনেকেই জানেন না। যারা জানেন তাদের অনেকেই আবার পুরপুরি জানেন না। তাই আপনাদের সাথে এই ব্যাপারটি শেয়ার করি।
প্রথমে আসি এই বাউন্স রেট কি?
Bounce কথাটার বাংলা অর্থ হলো লাফ দেয়া। অর্থাৎ কেউ সাইটে ভিজিট করতে আসলো আর ভাল লাগলো না তাই আপনার সাইট থেকে লাফ দিয়ে চলে গেল। বাউন্স রেট বলতে বুঝায়  আপনাদের ওয়েবসাইট বা ব্লগ এ কোন ভিসিটর এর অপ্রিয়তার হার। কতজন ভিসিটর আসলো আর তার মধ্যে কতজন ভিসিটর বাওন্স করে চলে গেল। এখন কথা হল আপনার সাইট এ কোন ভিসিটর কতক্ষন থাকার পর আপনার সাইট থেকে চলে গেলে এটাকে লাফ দেয়া বা বাউন্স রেট  বলে। কারন যত ভিসিটর ই আসুক না কেন কিছু সময় পর সে চলে যাবে এটাই স্বাভাবিক। এখন কত সময় এর আগে চলে গেলে আমরা এটাকে লাফ দেয়া বলব। এই সময়টা হল, কেউ যদি আপনার সাইট আসার পর ৩০ সেকেন্ড এর মধ্যে চলে জায় তাহলে এটি বাউন্স রেট বলে কাউন্ট হবে। আশা করি সবাই বুঝেছেন।
এই বাউন্স রেট আমাদের সাইট এর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারন আমরা যাই করিনা কেন আমাদের টার্গেট এক মাত্র ভিসিটর। আমরা সবাই চাই যেন আমাদের সাইট গুগল সার্চ রাঙ্কের প্রথমের দিকে থাকুক আর এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল আমাদের প্রথম টার্গেট হওয়া উচিৎ। গুগল যখন কোন সাইট কে রাঙ্ক দেয় তখন সে যে যে বিষয় এর দিকে গুরুত্ত দেয় তার মধ্যে প্রধান হল বাওন্স রেট। সুতরাং সাবধান।
এখন আসি কি করে এই বাউন্স রেট কমাবেন।
  • প্রথমে যেটা বলব উল্টাপাল্টা জায়গায় ব্যাক লিঙ্ক করবেন না। এটি অনেক বড় অংশে দায়ী আপনার সাইট এর বাউন্স রেট বাড়ার জন্য। যদি ব্যাক লিঙ্ক করেন তাহলে রিলিভেন্ট জায়গায় ব্যাক লিঙ্ক করবেন। ব্যাক লিঙ্ক করার আগে যে জিনিস টা মনে রাখবেন সেটা হল আপনার সাইট সে বিষয় এ সেই বিষয় সম্পর্কিত সাইট ব্যাক লিঙ্ক করার চেষ্টা করবেন। এতে যেমন আপনার সাইট এর বাউন্স রেট বারবে না তেমন গুগলেও পেনাল্টি খাবেন না।
  • সাইট এর ডিজাইন আকর্ষণীয় করতে হবে।
  • সঠিক কি ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।
  • সাইট এর লোডিং স্পীড কমাতে হবে।
  • সাইট এ যদি অতিরিক্ত অ্যাড থাকে তাহলে তা কমাতে হবে।
  • ইউজার ফ্রেন্ডলি নাভিগেশন তৈরি করা।



২৭ বছর বয়সে যখন হন্যে হয়ে ব্যাংকে চাকরি খুঁজছেন,তখন আপনারই বয়েসি কেউ একজন সেই ব্যাংকেরই ম্যানেজার হয়ে বসে আছেন। আপনার ক্যারিয়ার যখন শুরুই হয়নি,তখন কেউ কেউ নিজের টাকায় কেনা দামি গাড়ি হাঁকিয়ে আপনার সামনে দিয়েই চলে যাচ্ছে। কর্পোরেট যে সবসময় চেহারা দেখে প্রমোশন দেয়,তা নয়।দিন
বদলাচ্ছে,কনসেপ্টগুলো বদলে যাচ্ছে।শুধু বেতন পাওয়ার জন্য কাজ করে গেলে শুধু বেতনই পাবেন 


কথা হল,কেন এমন হয়?সবচাইতে ভালটি সবচাইতে ভালভাবে করে কীভাবে?কিছু ব্যাপার এক্ষেত্রে কাজ করে। দুএকটি বলছি। -প্রথমেই আসে পরিশ্রমের ব্যাপারটা। যারা আপনার চাইতে এগিয়ে,তারা আপনার চাইতে বেশি
পরিশ্রমী। এটা মেনে নিন। ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে পাওয়া যায় না। শুধু পরিশ্রম
করলেই সব হয় না।তা-ই যদি হত,তবে গাধা হত বনের রাজা।শুধু পরিশ্রম করা নয়,এর পুরস্কার পাওয়াটাই বড় কথা। অনলি ইওর রেজাল্টস্ আর রিওয়ার্ডেড,নট ইওর এফর্টস্।আপনি এক্সট্রা আওয়ার না খাটলে এক্সট্রা
মাইল এগিয়ে থাকবেন কীভাবে?

সবার দিনই তো ২৪ ঘণ্টায়।আমার বন্ধুকে দেখেছি,অন্যরা যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন সে রাত জেগে আউটসোর্সিং করে।ও রাত জাগার সুবিধা তো পাবেই! আপনি বাড়তি কী করলেন,সেটাই ঠিক করে দেবে,আপনি বাড়তি কী পাবেন।আপনি ভিন্ন কিছু করতে না পারলে আপনি ভিন্ন কিছু পাবেন না।বিল গেটস
রাতারাতি বিল গেটস হননি।শুধু ভার্সিটি ড্রপআউট হলেই স্টিভ জবস কিংবা জুকারবার্গ হওয়া যায় না।আমার মত অনার্সে ২.৭৪ সি জিপিএ পেলেই বিসিএস আর আইবিএ ভর্তি পরীক্ষায় ফার্স্ট হয়ে যাওয়া যাবে না। আউটলায়ার্স
বইটি পড়ে দেখুন।বড় মানুষের বড় প্রস্তুতি থাকে। নজরুলের প্রবন্ধগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন,উনি কতটা
স্বশিক্ষিত ছিলেন।শুধু রুটির দোকানে চাকরিতেই নজরুল হয় না। কিংবা স্কুল কলেজে না গেলেই রবীন্দ্রনাথ
হয়ে যাওয়া যাবে না

সবাই তো বই বাঁধাইয়ের দোকানে চাকরি করে মাইকেল ফ্যারাডে হতে পারে না,বেশিরভাগই তো সারাজীবন বই বাঁধাই করেই কাটিয়ে দেয়। স্টুডেন্টলাইফে কে কী বলল,সেটা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না।আমাদের ব্যাচে যে ছেলেটা প্রোগ্রামিং করতেই পারত না,সে এখন একটা সফটওয়্যার ফার্মের মালিক।যাকে নিয়ে
কেউ কোনদিন স্বপ্ন দেখেনি,সে এখন হাজার হাজার মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়। ক্যারিয়ার নিয়ে যার তেমন কোন ভাবনা ছিল না,সে সবার আগে পিএইচডি করতে আমেরিকায় গেছে।সব পরীক্ষায় মহাউত্সাহে ফেল করা ছেলেটি এখন একজন সফল ব্যবসায়ী। আপনি কী পারেন,কী পারেন না,এটা অন্য কাউকে ঠিক করে দিতে দেবেন না। পাবলিক ভার্সিটিতে চান্স পাননি? প্রাইভেটে পড়ছেন? কিংবা ন্যাশনাল ভার্সিটিতে? সবাই বলছে,আপনার লাইফটা শেষ?আমি বলি,আরে!আপনার লাইফ তো এখনো শুরুই হয়নি।আপনি কতদূর যাবেন,এটা ঠিক করে দেয়ার অন্যরা কে?লাইফটা কি ওদের নাকি? আপনাকে ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে কেন?কিংবা ডাক্তারি পাস করে কেন ডাক্তারিই করতে হবে?আমার পরিচিত এক ডাক্তার ফটোগ্রাফি করে মাসে আয় করে ৬-৭ লাখ
টাকা।

যেখানেই পড়াশোনা করেন না কেন,আপনার এগিয়ে যাওয়া নির্ভর করে আপনার নিজের উপর। শুধু
'ওহ শিট','সরি বেবি','চ্যাটিং ডেটিং' দিয়ে জীবন চলবে না।আপনি যার উপর ডিপেনডেন্ট,তাকে বাদ দিয়ে নিজের অবস্থানটা কল্পনা করে দেখুন।যে গাড়িটা করে ভার্সিটিতে আসেন,ঘোরাঘুরি করেন,সেটি কি আপনার নিজের টাকায় কেনা?ওটা নিয়ে ভাব দেখান কোন আক্কেলে? একদিন আপনাকে পৃথিবীর পথে নামতে হবে। তখন আপনাকে যা যা করতে হবে,সেসব কাজ এখনই করা শুরু করুন। জীবনে বড় হতে হলে কিছু ভাল বই পড়তে
হয়,কিছু ভাল মুভি দেখতে হয়,কিছু ভাল মিউজিক শুনতে হয়,কিছু ভাল জায়গায় ঘুরতে হয়,কিছু ভাল মানুষের সাথে কথা বলতে হয়,কিছু ভাল কাজ করতে হয়। জীবনটা শুধু হাহাহিহি করে কাটিয়ে দেয়ার জন্য নয়।একদিন যখন জীবনের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে,তখন দেখবেন,পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে,মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ছে। স্কিল ডেভেলাপমেন্টের জন্য সময় দিতে হয়। এসব একদিনে কিংবা রাতারাতি হয় না।"আপনার মত করে
লিখতে হলে আমাকে কী করতে হবে?আমি আপনার মত রেজাল্ট করতে চাই। আমাকে কী করতে হবে?"এটা আমি প্রায়ই শুনি।আমি বলি,"অসম্ভব পরিশ্রম করতে হবে।নো শর্টকাটস্। সরি!"রিপ্লাই আসে,"কিন্তু পড়তে যে ভাল
লাগে না। কী করা যায়?"এর উত্তরটা একটু ভিন্নভাবে দিই। আপনি যখন স্কুল কলেজে পড়তেন,তখন যে সময়ে আপনার ফার্স্ট বয় বন্ধুটি পড়ার
টেবিলে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকত,সে সময়ে আপনি গার্লস স্কুলের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন। এখন সময় এসেছে,ও ওখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে আর আপনি পড়ার টেবিলে বসে থাকবেন। জীবনটাকে যে সময়ে চাবুক মারতে হয়,সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করলে,যে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করার কথা,সে
সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবেন না,এটাই স্বাভাবিক।এটা মেনে নিন। মেনে নিতে না পারলে ঘুরে দাঁড়ান।এখনই সময়! বড় হতে হলে বড় মানুষের সাথে মিশতে হয়,চলতে হয়,ওদের কথা শুনতে হয়। এক্ষেত্রে ভার্সিটিতে পড়ার সময় বন্ধু নির্বাচনটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সাবকনশাস মাইন্ড আপনাকে আপনার বন্ধুদের কাজ দ্বারা প্রভাবিত করে। আমরা নিজেদের অজ্ঞাতসারেই আমাদের চাইতে ইনফেরিয়র লোকজনের সাথে ওঠাবসা করি,কারণ তখন আমরা নিজেদেরকে সুপিরিয়র ভাবতে পারি।এ ব্যাপারটা সুইসাইডাল আশেপাশে কাউকেই বড় হতে না দেখলে বড় হওয়ার ইচ্ছে জাগে না।আরেকটা ভুল অনেকে করেন। 

সেটি হল,ধনীঘরের সন্তানদের সাথে মিশে নিজেকে ধনী ভাবতে শুরু করা।মানুষ তার বন্ধুদের দ্বারা প্রভাবিত হয়।উজাড় বনে তো শেয়ালই রাজা হয়। আপনি কী শেয়াল রাজা হতে চান,নাকি সিংহ রাজা হতে চান,সেটি আগে ঠিক করুন।
বিনীত হতে জানাটা মস্ত বড় একটা আর্ট। যারা অনার্সে পড়ছেন,তাদের অনেকের মধ্যেই এটার অভাব রয়েছে। এখনো আপনার অহংকার করার মত কিছুই নেই,পৃথিবীর কাছে আপনি একজন নোবডি মাত্র।বিনয় ছাড়া শেখা যায় না। গুরুর কাছ থেকে শিখতে হয় গুরুর পায়ের কাছে বসে। আজকাল শিক্ষকরাও সম্মানিত হওয়ার চেষ্টা করেন না,স্টুডেন্টরাও সম্মান করতে ভুলে যাচ্ছে। আপনি মেনে নিন,আপনি ছোটো।এটাই আপনাকে এগিয়ে রাখবে।বড় মানুষকে অসম্মান করার মধ্যে কোন গৌরব নেই।নিজের প্রয়োজনেই মানুষকে সম্মান করুন।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget