Articles by "World News"

 


বক্সিংয়ের জগতে তিনি অমর হয়ে গেছেন। খেলোয়াড়ী জীবনে দুই হাতে কামিয়েছেন। আবার উড়িয়েছেন দুই হাতে। যে কারণে ৫৮৪ মিলিয়ন বা ৫৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকার মালিক হয়েও তিনি একসময় দেউলিয়া হয়েছিলেন। সেই মাইক টাইসন আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। তার ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে আছে গাঁজা চাষ! হ্যাঁ, গাঁজা চাষ করেই তিনি এখন কোটি কোটি টাকা আয় করেন।


যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে গাঁজা উৎপাদন ও ক্রয়-বিক্রয় বৈধ। ২০১৬ সালের নভেম্বরে ওই রাজ্যটিতে ২১ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য গাঁজা সেবনের বৈধতা দেওয়া হয়। সেখানেই টাইসন একটা গাঁজা চাষের কম্পানি খুলেছেন। যার নাম 'টাইসন র‍্যাঞ্চ।' টাইসনের ফার্মটি ১৬ হেক্টর জমির ওপর অবস্থিত। এখান থেকে তিনি প্রতিমাসে পাঁচ লাখ ডলার আয় করেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৪ কোটি টাকারও বেশি! 


এছাড়া ৫৪ বছর বয়সী টাইসন এবং তার বন্ধুরাই তো মাসে ৪০ হাজার ডলারের গাঁজা সেবন করেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় অঙ্কটা দাঁড়ায় প্রায় ৩৪ লাখ টাকা! টাইসন নিজেই এই তথ্য দিয়েছেন। নিজের ফার্মে তৈরি গাঁজায় টাইসন এতটাই মুগ্ধ যে তিনি এখন নিজেকে 'সেরা গাঁজা চাষী' হিসেবে দাবি করেন। ২০১৯ সালের নভেম্বরে র‍্যাপার বি-রিয়ালের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে ক্যামেরার সামনেই বিশাল এক গাঁজা সেবন করেন টাইসন।

Coincidence Or Pattern? 1720 Plague, 1820 Cholera Outbreak & 1920 Bubonic Plague

PANDEMIC OUTBREAKS – Amidst the escalating outbreak of the new coronavirus from Wuhan, China, some netizens believe that plagues throughout history starting from the 1720 plague, holds a pattern.
However, did history truly repeat itself? The theory goes like this:
1720 – The Great Plague of Marseille – this was the last significant European outbreak of the bubonic plague. It killed a total of 100,000 people in the city of Marseille, France.
The Great Plague of Marseille
1820 – The First Cholera Pandemic – By 1820, cholera had spread to Thailand, Indonesia, and the Philippines. On the island of Java alone, the outbreak caused the death of 100,000 people.
The First Cholera Pandemic
1920 – The Spanish Flu – In 1918-1920, the world was faced with the influenza pandemic. It would be the first of two pandemics to involve the H1N1 influenza virus.
The Spanish Flu
The virus had a massive reach, infecting 500 million people around the world. According to Wikipedia, the death toll worldwide was up to 100 million, making it one of the deadliest in human history.
So what is going to happen in 2020? It seemed like the pattern for deadly pandemic outbreaks occurs every 100 years.
In Wuhan, China, an outbreak of a new deadly strain of coronavirus was running rampant. In a matter of days, the number of infected tripled and the death toll continued to rise.
The Novel Coronavirus or known as the Wuhan coronavirus is still being studied. Health authorities are on a race to contain the virus and ordered Wuhan to suspend all outbound public transport.
The Novel Coronavirus
What’s common between the outbreaks?
Though some of the circumstances of the outbreaks are different, one of the most common variables is how the outbreaks were spread – infected animals and bacteria.
The bubonic plague was spread by infected fleas carried by small animals. It could also be transmitted through exposure to the body fluids from a dead plague-infected animal.
The cholera outbreak was caused by the Vibrio cholerae bacteria found in somewhat salty and warm waters. Humans get infected after drinking liquids or eating foods contaminated with the bacteria.
Meanwhile, the Spanish Flu was caused by an unusually deadly strain of “avian influenza” or bird flu.
The Novel Coronavirus was also believed to have been caused by consuming an infected animal bought from a seafood market in Wuhan, China.
What’s more concerning is that the Chinese New Year holidays are about to begin. During this time, millions of Chinese travel both domestically and internationally increasing the risks of spreading the virus.
However, the World Health Organization (WHO) had yet to declare the virus as a “public health emergency of international concern”. This could merit a coordinated global response to containing the virus.

In 1720 plague, 1820 cholera outbreak, 1920 Spanish Flu, 2020 Chinese coronavirus-What is happening.


In 1720 Plague, 1820 Cholera, 1920 Spanish Flu, 2020 Chinese coronavirus. What’s happening? published in world media on January 25, 2020, February 18, 2020. It seems that once in 100 years the world is devastated by a pandemic. The last recent pandemics we can mention are the following: In the year 1720 plague, in the year 1820 cholera outbreak and the most recent pandemic was the Spanish flu of 1920. The researchers said that all of these pandemics we mentioned above have exactly the same pattern as the coronavirus outbreak in China. However, the precision with which these pandemics occur at exactly 100 years of age makes us think better about this topic. Are these pandemics somehow artificially created by a malicious organisation? In 1720 there was a deadly pandemic of bubonic plague. It started in Marseille and was later called “The Great Plague of Marseille.” The researchers estimated the number of deaths as 100,000. In 1820 the first cholera pandemic occurred, somewhere in Asia. Among the affected countries, we can list Indonesia, Thailand and the Philippines. And this pandemic has killed about the same number of people. About 100,000 officially registered deaths. The main reason for the infection is the consumption of water from lakes infested with this killer bacterium. In 1920 one of the most unrelenting pandemics occurred. This is the Spanish flu that has infected about half a billion people and killed 100 million. The Spanish flu holds the official record for the deadliest pandemic officially recorded in history. It is now 2020. At the 100th anniversary of the Spanish Influenza, humanity is facing a new potential pandemic called coronavirus. Although the Chinese authorities were reluctant to make official statements and appealed for calm, the situation deteriorated rapidly.




সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদন বলছে বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ আবারও বেড়ে গেছে। এই নিয়ে প্রতিবছর মে মাসে পরপর কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পেতে বর্তমানে বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ রেকর্ড সংখ্যক।
গত মাসে (মে-তে) কার্বন ডাই অক্সাইডের গড় মাত্রা ছিল ৪১৪.৭ পার্টস পার মিলিয়ন। যা গত বছরের ওই সময়ের কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণের চেয়ে (৪১১.২ পিপিএম) ৩.৫ পিপিএম বেশি ছিল। আর ১১ই মে, ২০১৯ তারিখে পাওয়া গিয়েছিল বায়ুতে রেকর্ড সংখ্যক কার্বন ডাই অক্সাইড। এই প্রথমবারের মত বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ৪১৫ পিপিএম ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
মেটেওরোলজিস্ট এরিক হলথাস টুইট করেছিলেন, “এই প্রথমবারের মত মানবেতিহাসে আমাদের গ্রহের আবহাওয়ায় ৪১৫ পিপিএম এরও বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড পাওয়া গেল। এটি কেবল ইতিহাসে সব থেকে বেশি কার্বন ডাই অক্সাইডেরই রেকর্ড নয়, কেবল ১০,০০০ বছর পূর্বে কৃষির আবির্ভাবের পর থেকেই এটি বাতাসের সব থেকে বেশি পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড নয়, বরং আধুনিক মানুষের অস্তিত্বেরও লক্ষ লক্ষ বছর পূর্বেও বাতাসে এত বেশি পরিমাণে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ছিল না। আমরা এরকম গ্রহ চাইনা।”


এই উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে NOAA এর মনা লোয়া এটমসফেরিক বেজলাইন অবজারভেটরি থেকে যা হাওয়াই এর বিগ আইল্যান্ডে অবস্থিত। এখানে ৫০ এর দশক থেকে বিজ্ঞানীগণ বাতাসের মান পর্যবেক্ষণ করছেন।
প্রতিবছরে মে মাসেই বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ সব থেকে বেশি থাকে। এর আগের মাস বা ঋতুগুলোতে গাছপালা এবং মাটি কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ করতে থাকে যার ফলে সেগুলো জমতে জমতে মে মাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ সর্বোচ্চ হয়। মে এর পরের মাসগুলোতে গাছপালার কারণে আবার কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ কমতে শুরু করে। তাই মে মাসেই প্রতি বছরে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণের সর্বোচ্চ মানটি পাওয়া যায়।
NOAA এর গ্লোবাল মনিটরিং বিভাগের সিনিয়র সাইন্টিস্ট পিয়েটার ট্যানস বলেন, “জীবাশ্ম জ্বালানী কত দ্রুত আমাদের পরিবেশকে পরিবর্তন করে ফেলছে তা বোঝার জন্য কার্বন ডাই অক্সাইড এর সঠিক ও দীর্ঘমেয়াদী পরিমাপ করা খুবই দরকার। এগুলো হল আসল আবহাওয়ার পরিমাপ। এগুলো কোন মডেল এর উপর নির্ভর করে না, কিন্তু আমাদেরকে জলবায়ুর মডেল ভবিষ্যদ্বাণীগুলোর সত্যতা নিরুপন করতে সহায়তা করে।”
বিভিন্ন চলক ও ফিডব্যাক লুপের কারণে ভবিষ্যতের জলয়ায়ু পরিবর্তনের ভবিষ্যদ্বাণী করা খুব কঠিন। সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো বলছে আগের হিসাবগুলো খুব রক্ষণশীল ছিল এবং তাই তারা ভুলও করেছে। গত বছর, ইন্টারগভার্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা আইপিসিসি একটি মাইলফলক প্রতিবেদন তৈরি করেছিল, যেখানে ২১০০ সালের আগে প্রি-ইন্ডাস্ট্রিয়াল লেভেলের চেয়ে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেলে কী বিপর্যয়কারী পরিণাম দেখা যাবে তা নিয়ে সতর্ক করেন, সেই সাথে সেখানে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেলে কী হবে সেটাও বলা হয়।
এরই মধ্যে কিছু অতি সাম্প্রতিক জলমায়ুর মডেল ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে এই শতকের মধ্যেই আমাদের জলবায়ুর তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রেরই বছরে ২৩ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হবে (যা বর্তমান বিশ্বের সম্পূর্ণ জিডিপির এক তৃতীয়াংশ, এবং ২১০০ সালে বৈশ্বিক জিডিপি এর ৭ শতাংশেরও বেশি হবে)।
এই খবরগুলো শোনার পরও যদি আপনার পা থরথর করে না কাপে তাহলে আরেকটি প্রতিবেদনের কথা শুনুন। এই সপ্তাহেই একটি থিংট্যাংক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যেখানে বলা হচ্ছে, যদি খুব দ্রুত কোন জরুরি পদক্ষেপ নেয়া না হয় তবে ২০৫০ সালে মানব সভ্যতার ধ্বংস হয়ে যাবার উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে!!
শিল্প বিপ্লবের সময়ের পর থেকে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ১৪০ পিপিএম বেড়ে গিয়েছে। ১৭০০ সালে এর পরিমাণ ছিল ২৭৫ পিপিএম, এবং গত দুই বছরের বাতাসে ৫ পিপিএম পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে গত ৮০০,০০০ বছরেরও অধিক সময় থেকে এখন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এই সময়েই বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ সব থেকে বেশি। বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের বৃদ্ধি এই হাড়ে চলতে থাকলে, অনেকে ভবিষ্যদ্বাণী করেন, এই শতকের শেষের দিকেই বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ১,০০০ পিপিএম কার্বন ডাই অক্সাইডে গিয়ে ঠেকবে।
এ প্রসঙ্গে জেনে রাখা ভাল যে, শেষ যেবার বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ১,০০০ পিপিএম ছিল, সেবার এন্টার্কটিকা মহাদেশে বনাঞ্চল ছিল, এবং পশ্চিম ইউরোপ ও নিউজিল্যান্ডে বাৎসরিক তাপমাত্রা এখন যা দেখা যায় তার থেকে ১০ থেকে ১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বেশি ছিল। এই পরিস্থিতি ছিল আজ থেকে ৫৬ থেকে ৪৮ মিলিয়ন বছর পূর্বে প্যালিওজিন পিরিয়ডের সময়।
সেই সময় থেকে ৪৫ মিলিয়ন বছর পরবর্তী সময়ে গ্রহটি ছিল প্লিওসিন যুগে, তারপর সিএনএন রিপোর্ট অনুযায়ী বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ৩১০ থেকে ৪০০ পিপিএম এর মধ্যে চলে আসে। অর্থাৎ, বর্তমানে বাতাসে যে পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড দেখা যাচ্ছে সেসময় কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ তার থেকেও কম ছিল। আর তখনও বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা আজকের তাপমাত্রার চেয়ে ২ থেকে ৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস বেশি ছিল। সেইসময় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ছিল আজকের সমুদ্রপৃষ্ঠের থেকেও ২৫ মিটার বা ৮২ ফুট উঁচুতে।
মনা লোয়ায় বছরের পর বছর ধরে সংগৃহীত উপাত্তগুলো দেখাচ্ছে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ স্থিতিশীলভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শুরুর দিকে প্রতি বছরে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড গড়ে ০.৭ পিপিএম হাড়ে বৃদ্ধি পেত। আশির দশকে দেখা গেল প্রতি বছরে গড়ে ১.৬ পিপিএম হারে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নব্বই এর দশকে এই বৃদ্ধির হার একটি কমে গেল, তখন বছরে ১.৫ পিপিএম হাড়ে কার্বন ডাই অক্সাইড বৃদ্ধি পেত। একবিংশ শতকের শুরুর দিকে এই হাড় পুনরায় বৃদ্ধি পায়, প্রতি বছর কার্বন ডাই অক্সাইড বৃদ্ধির হার বছরে ২.২ পিপিএম-এ গিয়ে পৌঁছায়। ২০১৪ সালের মে মাসে কার্বন ডাই অক্সাইড এর পরিমাণ প্রথমবারের মত ৪০০ ছাড়িয়ে যায়।
ট্যান্স বলেন, এই বিষয়ে যথেষ্ট পরিমাণে ও উপসংহার টানার মত সাক্ষ্যপ্রমাণ আছে যে বর্ধিত পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইডের নিঃসরণের কারণেই বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড বৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
যদিও এই কথাগুলো আসলে পরিসমাপ্তি বা ডুমসডে এর মত শোনালেও গবেষকগণ বলছেন, এখনও আমাদের কিছু করার সময় রয়েছে। ইউএন এনভায়রনমেন্ট ডেপুটি এক্সেকিউটিভ ডিরেক্টর জয়েস মোসুইয়া বলেন, “বিজ্ঞান এখানে পরিষ্কার, আমরা এপর্যন্ত জলবায়ু সম্পর্কিত উচ্চাকাঙ্ক্ষী কার্যক্রম দেখেছি সরকারগুলোকে এর চেয়েও বেশি দ্রুতগতিতে এবং আরও গুরুত্বের সাথে এটি নিয়ে কাজ করতে হবে।… আগুন নেভানোর উপকরণ যেখানে আমাদের হাতের কাছেই আছে সেখানে আমরা আগুনে আরও জ্বালানী দিচ্ছি।”


পৃথিবীর যে দেশে বসে অদ্ভুত টাকার বাজার!


আমাদের দেশে টাকার বেশিরভাগ লেনদেন হয় ব্যাংকের মাধ্যমে। এছাড়া আরও কিছু মাধ্যম রয়েছে। তা-ও অনেকটা ব্যাংকের মতোই। কিন্তু হাটে-বাজারে বিক্রি হয় টাকা- এমন হয়তো আগে শুনেছেন কিনা জানা নেই। তবে এখন শুনতে পারেন অদ্ভুত সেই টাকার বাজারের কথা।
দৈনন্দিন চাহিদার ভিত্তিতে দেশে দেশে মাছের বাজার, শাক-সবজির বাজার, বইয়ের বাজার, পোশাকের বাজার দেখেছেন। কিন্তু রাস্তার পাশে লাইন দিয়ে একেবারে বস্তা বস্তা টাকা নিয়ে লোক বসে আছে। মানুষ তার প্রয়োজনে টাকা কিনছে বাজার থেকে, এমন দৃশ্য দেখেছেন কখনো?
এমন বিচিত্র বাজারের সন্ধান পাওয়া গেছে পৃথিবীতে। আফ্রিকার সোমালিয়ার সোমালিল্যান্ডে বিক্রি হচ্ছে টাকা। তবে সেই টাকা জাল বা নকল নয়। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, সেখানে বিক্রি হচ্ছে একেবারে আসল টাকা। খোলা রাস্তায় দিন-দুপুরে সেখানকার মানুষ বিনিময় করে নিয়ে যায় বান্ডেল বান্ডেল নোট।
এ টাকার বাজারে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। তাই সেখানে কোনো বাড়তি পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবস্থা নেই। কারণ এমন অদ্ভুত বাজার গড়ে ওঠার পেছনে সোমালিল্যান্ডের আর্থিক কাঠামো সহায়ক বলে জানা যায়। সেই টাকাকে বলা হয় ‘শিলিং’। শিলিংয়ের দাম ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
এক মার্কিন ডলারের দাম ১০ হাজার শিলিংয়ের কাছাকাছি। তাই মোট ১০ ডলার খরচ করলে পাওয়া যাবে কমপক্ষে ৫০ কেজি নোট! যা নিজের পকেটে নেওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে সেই টাকা নিতে কয়েকটি বস্তা বা একটি ঠেলাগাড়ির প্রয়োজন হয়। অথবা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী কিনতে গেলেও টাকার বস্তা নিয়ে বের হতে হয়।
মূল কথা হচ্ছে- শিলিংয়ের এমন মূল্যহীনতার কারণেই সোমালিল্যান্ডের টাকার গুরুত্ব ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। এমনকি সন্ত্রাসী-ছিনতাইকারী-চোর-ডাকাতও এই শিলিং চুরি করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে অনেক আগেই। তাই তো রাস্তার পাশে পথের ওপর ফেলে রেখে টাকা বিনিময়েও কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।


কেমন করে কয়লার সৃষ্টি হয়েছিল?

সচারচর জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত কয়লা উত্তলিত হয় কয়লার খনি থেকে। কয়লার এই সব খনি চওড়ায় অনেক মাইল পর্যন্ত হয়। খনির ভিতর পুরু ও চ্যাপ্টা কয়লার স্তর দেখতে পাওয়া যায়। ঐ সব স্তরের পুরুত্ব কয়েক সেন্টিমিটার থেকে শুরু করে কয়েক মিটার পর্যন্ত হতে পারে। হাজার হাজার শ্রমিক ও প্রকৌশলী যন্ত্রপাতির সহযোগে রাতদিন ধরে এই সব খনিতে কাজ করে। তোমরা কী জান –কেমন করে এই কয়লার সৃষ্টি হয়েছিল ?
কয়লার সৃষ্টি প্রথম শুরু হয়েছিল প্রায় ২৫০ মিলিয়ন (২৫ কোটি) বছর আগে।ঐ যুগটা কে বলা হত অঙ্গার-উৎপাদী কাল(carboniferous period)। তখন আমাদের পৃথিবীতে ছিল অনেক জলাভূমি। দ্রুত বর্ধনশীল উদ্ভিদ, বৃহৎ বৃহৎ হৃক্ষ, র্ফান প্রভৃতি জন্মেছিল ঐ সব জলাভূমিতে। কাল ক্রমে ঐ সব গাছপালা মরে গিয়ে শান্ত জলাভূমির জলে পতিত হয়। যথেষ্ট পরিমাণ বাতাস সেখানে না থাকায় গাছপালা গুলো সম্পৃর্ণ রুপে পচে যায় নি। ব্যাকটেরিয়া গাছের বিভিন্ন অংম পিট (peat) নাম এক প্রকার আঁঠাল পদার্থে পরিণত করেছিল। শতাব্দীর পর ধরে বালি-মাটি জমা হয়ে হয়ে এই পিটকে চাপ দিতে থাকে। তাপ ও ভূ-স্তরের চাপের ফলে পিট-আস্তরণ প্রথমে লিগনাইটে (Lignite) রূপান্তরিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত, রূপান্তর ঘটে তার শক্ত কয়লায়। এমনি করে পৃথিবীর অভ্যন্তরে ভাঁজে ভাঁজে অসংখ্য কয়লার স্তর সৃষ্টি হয়েছিল। আজকের দিনে কয়লা পেতে হলে আমাদের কে মাটি খুঁড়ে অনেক গভীরে যেতে হয়।
কয়লার মধ্যে ফার্ণের (fern) ছাপ লক্ষ্য করা গেছে। ফার্ণের ঐ ছাপের উপর ভিত্তি করেই কয়লা সৃষ্টির উপরোক্ত মতবাদটি প্রদত্ত হয়েছে। কখন কখন গাছের ছালের নমুনাও দেখা গেছে। তার থেকে এটা আবার প্রমাণিত হয় যে লক্ষ লক্ষ বছর আগে উদ্ভিদ, গাছ-গাছালি, লতা-গল্ম প্রভৃতি ধ্বংসাবশেষ থেকেই কয়লার সৃষ্টি হয়েছে।
কয়লার খনির খননকার্য এক দুরুহ ব্যাপার । প্রথমতঃ জমাকৃত কয়লার উপর থেকে সকল প্রকার ময়লা দূরীভূত করা হয়। তারপর কয়লার স্তর যখন বেরিয়ে আসে তখন তাকে ছোট ছোট টুকরায় ভাঙ্গায় জন্য বিস্ফোরন ব্যবহার করা হয়। বস্তুতঃপক্ষে, সমস্ত খননকার্যটি চলে যন্ত্রপাতি আর বিস্ফোরকের মাধ্যমে। এমনি করে প্রাপ্ত কয়লা কে ওয়াগনে বোঝাই করে উপরে তোলা আনা হয়। খননকারীরা উল্লম্ব(shaft) মধ্য দিয়ে চলাচলকারী লিফটের সাহায্যে খনিতে নামে কিংবা খনি থেকে বেরিয়ে আসে। কয়লার খনিতে সহজে আগুন ধরে। কয়লার খনিতে আগুন লাগলে তা নেভানো অত্যন্ত কষ্টকর। তাই খনির বাকী অংশে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য ঐ অংশটি কে সব দিক দিয়ে বিচ্ছিন্ন বা আলাদা করে রাখা হয়।
আমাদের দেশে কয়লার খনি আছে অন্ধ্রপ্রদেশে, বিহারে, পশ্চিমবাংলায়, রাজস্থানে, মহারাষ্ট্রে উড়িষ্যায়, আসামে, জম্মুতে ও মধ্যপ্রদেশে। সমগ্র পৃথিবীতে খনি থেকে প্রতি বছরে প্রায় ৩ বিলিয়ন টন (৩০০০ মিলিয়ন বা ৩ কোটি) কয়লা উত্তোলিত হয়। ভারতে প্রতি বছর খনি থেকে উত্তোলিত কয়লার পরিমাণ হল ১০০ মিলিয়ন টন বা (১০ কোটি টন)।


রহস্যদ্বীপ বাল্ট্রা

বিপুলা এই পৃথিবীর কতটুকু জানি….দিকে দিকে কত দেশ আর কত রাজধানী। আসুন একটু একটু করে এই বিশ্বের তাক লাগান সব রহস্য জানবার চেষ্টা করি…………..
প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালের অনেক রহস্যই এখনো উম্মোচিত করা সম্ভব হয়নি। এমনই অদ্ভুত রহস্যেঘের এক দ্বীপ বাল্ট্রা।বাল্ট্রা মূলত মানববসতিশূন্য একটি দ্বীপ। দণি আমেরিকার ইকুয়েডরের নিকটবর্তী ১৩ টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ। আর এই ১৩টি দ্বীপের একটিই হচ্ছে বাল্ট্রা। কিন্তু এখানকার অন্য ১২টি দ্বীপ থেকে বাল্ট্রা একেবারেই আলাদা, অদ্ভুত এবং রহস্যময়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কৌশলগত কারণে এই দ্বীপপুঞ্জের কয়েকটি দ্বীপে এয়ারবেস স্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। তখনকার এয়ারবেসের একজন অফিসার ফ্রান্সিস ওয়াগনার এর মাধ্যমেই বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে বাল্ট্রা দ্বীপের অদ্ভুত চরিত্রেক কথা। এরপর অনেকেই এই দ্বীপের রহস্যময় আচরণের কথা স্বীকার করেন। এটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় দ্বীপপুঞ্জ হওয়ায় এখানে প্রচুর বৃষ্টি হয়। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো বৃষ্টির এক ফোঁটাও পড়েনা বাল্ট্রাতে। কী এক রহস্যজনক কারণে বাল্ট্রার অনেক উপর দিয়ে উড়ে গিয়ে অন্য পাশে প্রবল বৃষ্টি। বাল্ট্রা অর্ধেক পার হওয়ার পর অদ্ভুতভাবে আর এক ইঞ্চিও এগোয়না বৃষ্টির ফোঁটা। বৃষ্টি যত প্রবলই হোক এ যেন সেখানকার এক অমোঘ নিয়ম। বাল্ট্রাতে এলেই অস্বাভাবিক আচরণ করে নাবিক বা অভিযাত্রীর কম্পাস। সব সময় উত্তর দিক নির্দেশকারী কম্পাস এখানে কোন সময় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, আবার দিক-নির্দেশক কাঁটা ইচ্ছামতো ঘুরতে থাকে অথবা উল্টাপাল্টা দিক নির্দেশ করে। সবচেয়ে রহস্যজনক ব্যাপার হলো বাল্ট্রা দ্বীপের উপর প্লেনে থাকাকালীন সময়েও এমন অদ্ভুত আচরণ করে কম্পাস। আবার দ্বীপ পার হলেই সব ঠিক।
বাল্ট্রার আরেকটি অদ্ভুত দিক হলো- এর “মানসিক” দিক। অন্য বারোটি দ্বীপের তুলনায় “মৃত দ্বীপ” বাল্ট্রায় পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যে কারো মাথা অনেক হালকা হয়ে যায়। অজানা অচেনা কোন এক জায়গায় হারিয়ে যাওয়ার আশ্চর্যরকম ভালো একটা অনুভূতি আচ্ছন্ন করে ফেলে মনকে। বেশিক্ষন এ দ্বীপে থাকলে দ্বীপ থেকে চলে আসার পর কিছুদিন সেই আশ্চার্য অনুভূতি থেকে যায়। পরে অবশ্য আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যায়।
অদ্ভুত দ্বীপ বাল্ট্রায় কোন বৃক্ষ নেই। নেই কোন পশুপাখি। কোন পশুপাখি এ দ্বীপে আসতে চায় না। দ্বীপের রহস্যময়তার আবিষ্কর্তা ওয়েগনার জোর করে কিছু প্রাণীকে বাল্ট্রা এবং এর পাশের দ্বীপ সান্তাক্রুজের মধ্যবর্তী খালে ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেখা গেল বাল্ট্রাকে এড়িয়ে সান্তাক্রুজের ধার ঘেঁষে চলছে প্রাণীগুলো। শুধু তাই নয়, উড়ন্ত পাখিগুলোও উড়তে উড়তে বাল্ট্রার কাছে এসেই ফিরে যাচ্ছে। দেখে মনে হয়, যেন অদৃশ্য কোন দেয়ালে ধাক্কা খাচ্ছে ওরা।
বাল্ট্রা দ্বীপের এ রকম অদ্ভুত আচরণের কোন গ্রহণযোগ্য কারণ এখনো কেউ খুঁজে পায়নি। তবে কারো কারো মতে এখনে কোন অস্বাভাবিক শক্তির অস্তিত্ব রয়েছে যার প্রভাবে এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটছে। বিজ্ঞানীরা আজও এ রহস্যের কোন কুলকিনারা করতে পারেনি।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget