Latest Post


Establishing good sleep habits for children with autism

Approximately 25 percent of children have sleep problems. For children with autism, this percentage significantly increases to approximately 45-80 percent.  It is extremely important for all children to get proper rest. A child who is not well rested will often demonstrate irritability, problem behavior, and potentially impaired academic performance.
One of the most frequent sleep problems that children both with and without a diagnosis of autism have is onset latency, which is when a child has trouble falling asleep. It can often be even more difficult for your child to fall asleep in the summer when the days are longer and the nights are brighter. Some strategies to help decrease the time it takes for children with autism to fall asleep are:
Establish a bedtime routine
Start and maintain a regular bedtime, preceded by several calming activities that occur at the same time each night. For example, coloring from 7:30-7:45 p.m., bath from 7:45-8:15 p.m., read books from 8:15-8:30 p.m., bedtime at 8:30 p.m.
Limit physical activity 
Physical activity is a must for healthy children. However, engaging in physical activity too close to a planned bedtime may interfere with falling asleep quickly. Consequently, encourage less rigorous activities closer to bedtime such as reading books, playing with blocks, arts and crafts, watching a movie, or playing board games.
Eliminate naps
One reason your child may not be falling asleep quickly is that he or she may not be tired. If your child is dependent on a nap during the day, begin gradually decreasing the length of that day-time nap. For example, if your child is accustomed to a two-hour nap, begin waking your child from that nap about 10-15 minutes earlier each week. This will allow for a transition away from napping in approximately two months.
Limit caffeine 
It is no surprise that caffeine is a stimulant and should, therefore, be limited prior to sleep. Sodas are typical culprits of housing enough caffeine to keep your little ones awake, but also keep in mind that chocolate also contains caffeine. Therefore, limiting chocolate and foods that contain chocolate (like the summer favorite, chocolate ice cream) will be beneficial.
Reserve the bedroom for sleeping 
Oftentimes, children’s bedrooms can serve a dual function as a playroom that houses many toys. Begin to reserve your child’s room solely for sleeping. Clearing out all toys and other distractions will help to establish the bedroom as a calm place that is kept for sleep.
Establish sleep expectations 
It is common for children to get out of bed shortly after they are tucked in at night. Establish clear expectations so that your child understands he is not to get out of bed after bedtime. Resist the temptation to welcome your child into your bed to sleep for the night, as this may increase future instances of getting out of bed.
Faded bedtime 
Another strategy is to keep your child awake until much later in the evening, past the time he typically falls asleep (for example, 11:30 p.m. versus 9 p.m.). This strategy helps a child fall asleep much more quickly because the child should be extremely tired. Then, gradually move bedtime up in small intervals of time (11:30 p.m., 11:15 p.m., 11 p.m., etc) until you reach a “reasonable” bedtime.


ভালো ঘুমের জন্য খাবার

অনেকেই অনিদ্রা বা ইনসমনিয়ায় ভোগেন। কারও ঘুম আসতে দেরি হয়, কারও ঘুম রাতে ভেঙে যায়। তাঁদের জন্য রাত একধরনের বিভীষিকা। ইনসমনিয়ার সমস্যায় আজকাল ওষুধ নয়, আচরণগত পরিবর্তন ও কগনিটিভি বিহেভিয়র থেরাপির কথা বেশি বলা হচ্ছে। এই আচরণগত পরিবর্তনের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসের কিছু পরিবর্তনও জরুরি।
কিছু খাবার অনিদ্রার রোগীদের না খাওয়াই উত্তম। এগুলো কিছু রাসায়নিক তৈরি করে, যা মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে ঘুম দূর করে। যেমন: অতিরিক্ত চিনিযুক্ত বা মিষ্টি খাবার, লবণযুক্ত খাবার, চকলেট, কোমল পানীয়, কৃত্রিম রংযুক্ত খাবার, সংরক্ষিত খাবার ইত্যাদি। এ ছাড়া চা, কফি বেশি খাওয়া উচিত নয়। বেশি দেরি করে খাওয়াও ভালো নয়। ঘুমের অন্তত তিন ঘণ্টা আগে খাওয়া শেষ করবেন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে কোনো উত্তেজক পানীয় পান না করাই ভালো। তবে দুধ খাওয়া ভালো। শোয়ার আগে এক চামচ মধুযুক্ত এক কাপ দুধ প্রশান্তি আনে। এর সঙ্গে চারটা বাদামও খেতে পারেন।
ক্যালসিয়াম, ট্রিপটোফ্যান, ম্যাগনেশিয়ামযুক্ত খাবার ঘুমের জন্য ভালো। তাই দুধ, দুগ্ধজাত খাবার, ডাল, বাদাম, পনির, ডিম, সূর্যমুখীর বীজ, ডুমুর, খেজুর, কিশমিশ ইত্যাদি নিয়মিত খান। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন ডি যেন পর্যাপ্ত থাকে।
পেটে গ্যাস বা বদহজম হলেও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তাই রাতের খাবার বেশি ভারী না হওয়াই ভালো।


মরিচের পুষ্টি তথ্য,মরিচের গুনাগুন সম্পর্কে জানুন

আমরা প্রতিদিন যে সকল খাবার খায় তার মদ্ধে মরিচের  ব্যবহার রয়েছে। আমরা মরিচের ব্যবহার আর গুনাগুন সম্পরকে না জেনেই দৈনন্দিন জীবনে এর ব্যবহার করে আসছি। আসুন এবার জেনে নিই এর উপকারিতা সম্পরকে।

১ঃ লাল রক্ত ​​সেল গঠনতে অবদান রাখে

অ্যামিমিয়া এবং ক্লান্তি লোহা অভাব দ্বারা সৃষ্ট হয়।  মরিচ তামা ও লোহা ধারণ করে। এই খনিজ নতুন রক্ত ​​কোষ গঠনের জন্য অত্যাবশ্যক।
চিনির মরিচ ফোলিক অ্যাসিডে সমৃদ্ধ।  ফলিক এসিড লাল রক্ত ​​কণিকএসিড  উতপাদনে  সাহায্য করে এবং অ্যানিমিয়ার মারামারি করে। এটি দ্রুত সেল বিভাগ এবং গর্ভাবস্থায় বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গর্ভবতী মহিলাদের ফোলিক অ্যাসিডের অভাবের সম্মুখীন হতে হবে না; অন্যথায় নবজাতকের মধ্যে কিছু জন্মগত ত্রুটি দেখা দিতে পারে।

২ঃ রক্তচাপ হ্রাস এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগ প্রতিরোধ করে

মরিচ থেকে পাওয়া যায় পটাসিয়াম  যা একটি খনিজ যা শরীরের বিভিন্ন ফাংশন  সম্পাদন করে। রক্তের সাথে মিলিত পটাসিয়াম পর্যাপ্ত পরিমাণে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে। পটাসিয়াম রক্তবর্ণ নিথর করে; এইভাবে আদর্শ রক্ত ​​প্রবাহ তৈরি হয়।

৩ঃ প্রাকৃতিক ব্যথা ত্রাণ হিসাবে কাজ

অস্টিওআর্থারাইটিস এবং ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি দ্বারা সৃষ্ট ব্যায়াম দূর করার জন্য টপিক্যাল ক্যাপাসাইকিন ব্যবহার করা হয়।

৪ঃ ক্যান্সার বাধা দেয়

আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চ বলেছে যে ক্যাপাসিয়িকিনে লিউকেমিয়া এবং ক্যান্সার কোষকে হত্যা করার ক্ষমতা রয়েছে। শুধু হিমালয়ের মতো, কড়াই তৈরিতে ব্যবহৃত একটি মশলা, গম টিউমার বৃদ্ধি এবং ক্যান্সারকে দমন করতে পারে।  আজকের চিকিৎসায় বাবহ্রিত হয়েছে যে ক্যাপাসাইকিন তা আসলে স্তন ক্যান্সার বন্ধ করতে সক্ষম।

৫ঃ মরিচ পেট আলসার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করতে পারে

মরিচ আসলে পেট আলসার প্রতিরোধ করতে পারে। রেড হট মরিচ  ব্যাকটেরিয়া গুলোকে মেরে ফেলতে পারে এবং বাফারের রস মুক্ত করার জন্য পেটকে আচ্ছাদন করে কোষগুলিকে উত্তেজিত করে। এই বিশ্বাস যে সরাসরি মরিচ এই আলসার  কে প্রতিরোধ করতে সক্ষম।
 এছাড়া ওজন হ্রাস , দীর্ঘায়ু উন্নতি, অন্ত্রের রোগ  সহ  অনন্যা রোগ নিরাময় করতে সক্ষম এই মরিচ।পরের বার যখন আপনি খাবার প্রস্তুত করবেন, তখন মরিচ দিয়ে অতিরিক্ত স্পার্ক যোগ করুন।এটি রক্তের কলেস্টেরল, প্লেটলেট সংগ্রাহক এবং ট্রাইগ্লিসারাইড মাত্রাগুলি অন্যান্যের মধ্যে কার্যকরভাবে কমাতে পারে। আপনি মসলাযুক্ত খাদ্য বা না চান, মরিচ সবসময  আপনাকে  ভিটামিন এবংখনিজের একটি প্রাচুর্য প্রদান করবে। আসলে একটি  মরিচ একটি কমলা তুলনায় বেশি। ভিটামিন সি প্রদান করে। তাই খাবারের পুস্তিগুন সম্পরকে জানুন এবং খেয়ে সুস্থ থাকুন।


কাঁচা আদার কত গুণ!

এক নজরে দেখে নিই কি গুন আছে আদায় …
  • আদার রস শরীর শীতল করে এবং হার্টের জন্য উপকারী।
  • কাশি এবং হাঁপানির জন্য আদার রসের সাথে মধু মিশিয়ে সেবন করলে বেশ উপশম হয়।
  • ঠান্ডায় আদা ভীষণ উপকারী। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট, যা শরীরের রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে। জ্বর জ্বর ভাব, গলাব্যথা ও মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।
  • বমি বমি ভাব দূর করতে এর ভূমিকা অপরিহার্য। তাই বমি বমি ভাব হলে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। এতে মুখের স্বাদ বৃদ্ধি পায়।
  • অসটিও আর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস-এই অসুখগুলোয় সারা শরীরের প্রায় প্রতিটি হাড়ের জয়েন্টে প্রচুর ব্যথা হয়। এই ব্যথা দূর করে আদা। তবে রান্না করার চেয়ে কাঁচা আদার পুষ্টিগুণ বেশি।
  • মাইগ্রেনের ব্যথা ও ডায়াবেটিসজনিত কিডনির জটিলতা দূর করে আদা। গর্ভবতী মায়েদের সকালবেলা, বিশেষ করে গর্ভধারণের প্রথম দিকে সকালবেলা শরীর খারাপ লাগে। কাঁচা আদা দূর করবে এ সমস্যা।
  • দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস দাঁতের মাড়িকে শক্ত করে, দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা জীবাণুকে ধ্বংস করে।
  • দেহের কোথাও ক্ষতস্থান থাকলে তা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে আদা। এতে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি এজেন্ট, যা যেকোনো কাটাছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত ভালো করে।
  • রক্তের অনুচক্রিকা এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতেও আদা দারুণ কার্যকর। মুখের রুচি বাড়াতে ও বদহজম রোধে আদা শুকিয়ে খেলে বাড়বে হজম শক্তি।
  • আমাশয়, জন্ডিস, পেট ফাঁপা রোধে আদা চিবিয়ে বা রস করে খেলে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া যারা গলার চর্চা করেন তাদের গলা পরিষ্কার রাখার জন্য আদা খুবই উপকারী।
  • ঠান্ডায় টনসিলাইটিস, মাথাব্যথা, টাইফয়েড জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হওয়া, বসন্তকে দূরে ঠেলে দেয় আদা। ওভারির ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আদা।
(আপনি যদি মনে করেন পোস্টটি গুরুত্বপূর্ণ তবে শেয়ারকরে বন্ধুদের দেখার সুযোগ দিন। নিজে জানুন ও অন্যকে জানতে সাহয্য করুন। নিয়মিত লাইক, কমেন্টস না করলে এই মুল্যবান পোস্ট গুলো আর আপনার ওয়ালে খুজে পাবেন না।)
আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।

আসলেই ধূমপান ছাড়তে চান ?

ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার ১০ বছর পর ফুসফুস ক্যানসারের ঝুঁকি আগের তুলনায় অর্ধেকে নেমে আসে। এক বছর পরই কমে যায় হৃদ্রোগের ঝুঁকি। পাঁচ বছরের মাথায় মুখ, গলা ও খাদ্যনালির ক্যানসারের ঝুঁকি অর্ধেক হয়ে যায়। তাই আপনি ধূমপায়ী হলে, এখনো সময় আছে পুরোপুরি তা বর্জন করার। কিন্তু কীভাবে কাজটা করবেন?
  • প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন কেন আপনি ধূমপান ছাড়ছেন? একটা তালিকা তৈরি করুন—এই অভ্যাসের জন্য আপনার কী কী ক্ষতি হচ্ছে। এই তালিকায় রোগবালাই ছাড়া আরও বিষয় রাখতে পারেন। যেমন: সন্তানের পরোক্ষ ক্ষতি, আর্থিক ক্ষতি, প্রিয়জনের বিরক্তি ইত্যাদি।
  • ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর কিছু সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। একে বলে উইথড্রয়াল সিনড্রোম। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিন।
  • সিগারেট ছাড়ার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি ও সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি শুভদিন বেছে নিতে পারেন। যেমন: জন্মদিন বা বিবাহবার্ষিকী বা সন্তানের জন্মদিন।
  • ধূমপান ছাড়ার পর হাত ও মন ব্যস্ত রাখার অন্য উপায় খুঁজে বের করুন। অবসরে বা অফিসে বসে পপকর্ন, বাদাম, চুইংগাম বা চানাচুর চিবোতে পারেন। হাঁটা বা ব্যায়াম বা সপ্তাহে কয়েক দিন জিম বা সাঁতার কাটতে পারেন। বারান্দা বা ছাদে বাগান করতে শুরু করে দিন।
  • সিগারেটের কথা মনে করিয়ে দেয় এমন সব কিছু, যেমন: অ্যাশট্রে, লাইটার, দেশলাই ইত্যাদি ফেলে দিন। সিগারেটের গন্ধ আছে এমন পুরোনো বিছানার চাদর, তোয়ালে, জামা-কাপড় ধুতে দিন। আপনজনদের সময় দিন, বেড়াতে যান, আড্ডা দিন। নতুন জীবন উপভোগ করতে শুরু করুন।


মন খারাপের কারণে কিন্তু হঠাৎ করে মারাও যেতে পারেন!

একেবারেই ঠিক শুনেছেন!
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে বহু দিন ধরে মন খারাপের মতো সমস্যার শিকার হলে শরীরের প্রতিটি অংশের উপর বিরূপ প্রভাব পরতে শুরু করে, যে কারণে স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া সহ ব্রেন পাওয়ার কমে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘতে দেরি লাগে না। সেই সঙ্গে ইনসমনিয়ার মতো সমস্যাও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তবে এখানেই শেষ নয়, সম্প্রতি ল্যান্সেট পত্রিকায় প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্রে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে দীর্ঘ সময় ধরে ডিপ্রেশনের মতো রোগে ভুগলে ব্রেনের অন্দরে প্রদাহের মাত্রা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেন সেলের মারাত্মক ক্ষতি হয়। আর এমনটা হতে থাকলে অ্যালঝাইমারস, ডিমেনশিয়া এবং পার্কিসনের মতো জটিল মস্তিষ্কঘটিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে আয়ুও কমে চোখে পরার মতো।
এখন প্রশ্ন হল বর্তমান সময়ে সিংহভাগের জীবনই এত মাত্রায় স্ট্রেসফুল যে মানসিক অবসাদের থেকে দূরে থাকাটা সম্ভাব নয়। তাই তো কম বয়সীদের এই প্রবন্ধটি পড়া মাস্ট। কারণ এই লেখায় এমন কিছু খাবারের সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, যেগুলিকে রোজের ডায়েটে রাখলে মন খারাপ তো দারে কেছে ঘেঁষতেই পারে না। সেই সঙ্গে একাধিক মারণ রোগের প্রকোপ কমচতেও সময় লাগে না। ফলে আয়ু বাড়ে চোখে পরার মতো।
এখন প্রশ্ন হল মনকে চাঙ্গা রাখার পাশাপাশি শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়েতে কী কী খাবারকে রোজের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে?
১. দই: স্কুল থেকে ফেরার পর প্রতিদিন যদি আপনার বাচ্চাকে এক বাটি করে দই খাওয়াতে পারেন, তাহলে তাদের শরীরে সরোটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যা স্ট্রেস কমানোর পাশাপাশি ব্রেন পাওয়ার বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার ব্রেন পাওয়ার বেড়ে গেলে অ্যাংজাইটির মতো সমস্যা কো কমেই, সেই সঙ্গে পড়াশোনাতেও উন্নতি ঘটে।
২. গ্রিন টি: শরীরকে রোগ মুক্ত রাখার পাশাপাশি ব্রেন পাওয়ার বাড়াতে এবং মানসিক অবসাদকে বাগে আনতে গ্রিন টি-এর কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। আসলে এই পানীয়টিতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য উপাকারি উপাদান শরীর থেকে সব টক্সিক উপাদানদের বের করে ব্রেনকে এতটাই চাঙ্গা করে তোলে যে মানসিক অবসাদ কমতে সময় লাগে না।
৩. নারকেল: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নাককেলে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি ফ্যাট শরীরে প্রবেশ করার পর মস্তিষ্কের অন্দরে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ব্রেন পাওয়ার এতটা বাড়িয়ে দেয় যে স্ট্রেস এবং মানসিক অবসাদের প্রকোপ তো কমেই, সেই সঙ্গে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তিরও উন্নতি ঘটে।
৪. শতমূলী: মানসিক অবসাদের কারণে কি জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে? তাহলে আজ থেকেই নিয়মিত অল্প করে শতমূলী গাছের মূল থেকে বানানো পাউডার খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন এমনটা করলে দারুন উপকার মিলবে। আসলে সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টমকে শান্ত করার মধ্যে দিয়ে মনকে চাঙ্গা করে তুলতে এই প্রকৃতিক উপাদনটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৫. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল এবং সবজি: যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে মানসিক অবসাদের প্রকোপ কামতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নানাভাবে কাজে এসে থাকে। শুধু তাই নয়, মন খারাপ, অ্যাংজাইটি এবং ডিপ্রেশনের মতো ভয়ঙ্কর রোগকে দূরে রাখতেও এই উফাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এমন স্ট্রেসফুল পরিবেশে নিজের মনকে চাঙ্গা রাখতে চেরি, আঙুর এবং সবুজ শাক-সবজির মতো খাবার বেশি করে খেতে হবে। না হলে কিন্তু বেজায় বিপদ!
৬. পুদিনা পাতা: পুরানো দিনের আয়ুর্বেদিক পুঁথি ঘাঁটলেই জানতে পারবেন নার্ভাস সিস্টেম সম্পর্কিত নানা রোগের চিকিৎসায় কিভাবে ব্যবহার করা হত পুদিনা পাতাকে। আসলে এই পাতাটির অন্দের থাকা মেন্থল নার্ভাস সিস্টেমকে শান্ত করতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই সঙ্গে এর মধ্যে থাকা ভিটামিন এ, সি, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, কপার এবং পটাশিয়াম মানসিক অবসাদ কমানোর পাশাপাশি ইনসমনিয়ার মতো রোগ সারাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে
৭. পালং শাক: বাঙালির প্রিয় এই শাকটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে শরীরে আয়রন, এবং ফলিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। যার প্রভাবে মস্তিষ্কের অন্দরে স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ কমে। ফলে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে সার্বিকভাবে শারীরিক ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। তাই এবার থেকে যখনই মনটা বেশ খারাপ খারাপ লাগবে পালং শাক খাওয়া শুরু করবেন। দেখবেন উপকার মিলবে।
৮. রসুন: এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের অন্দরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের মাত্রা কমানোর মধ্যে দিয়ে স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটি কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, ছোট থেকেই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস করলে হার্টের কর্মক্ষমতা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি ডায়াবেটিসের মোতে রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
৯. মাছ: প্রতিটি বাঙালি বাড়িতেই এখনও প্রতিদিন মাছ রান্নার রেওয়াজ রয়েছে, যে কারণে খেয়াল করে দেখবেন ব্রেন পাওয়ারের দিক থেকে বাঙালি অনেকের থেকেই বেশ এগিয়ে রয়েছে। আসলে মাছে উপস্থিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন বি, বি৬ এবং বি১২ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, এই উপাদানগুলি মানসিক অবসাদের মতো রোগের আক্রমণ থেকে বাচ্চাদের বাঁচাতেও নানাভাবে সাহায্য় করে থাকে।
১০. টমাটো: এতে উপস্থিত লাইকোপেন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর মন খারাপকে সমূলে উৎখাত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে মানসিক অবসাদের মতো ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সময় লাগে না। এই কারণেই তো যাদের খুব স্ট্রেসফুল কাজ করতে হয়, তাদের প্রতিদিন একটা করে কাঁচা টমাটো খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
১১. বাদাম: এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন বি২, ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম এবং জিঙ্ক। এই সবকটি উপাদান সেরাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বার করে দেয়। ফলে কোনওভাবেই স্ট্রেস ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।
১২. লেবু: পাতি লেবু, কমলা লেবু এবং মৌসাম্বি লেবুর মত সাইট্রাস ফলের শরীরে মজুত রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রকৃতিক সুগার, যা স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ তো কমায়ই, সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। তাই তো বাচ্চাদের প্রতিদিন এক বাটি করে ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
১৩. ব্রাহ্মি শাখ: স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এই প্রকৃতিক উপাদানটি য়ে কতটা সাহায্য করে থাকে, তা তো সবাই জানা। কিন্তু মানসিক অবসাদ কমাতেও যে ব্রাহ্মি নিজের খেল দেখায়, সে কথা কি জানা ছিল বন্ধুরা? বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে এই শাকটি খাওয়া মাত্র মস্তিষ্কের অন্দরে সেরাটোনিন লেভেল বাড়তে শুরু করে। ফলে মন এতটাই চনমনে হয়ে ওঠে যে মানসিক অবসাদ দূরে পালাতে সময়ই লাগে না।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget