Latest Post


হাসি সুখে থাকার ইঙ্গিত দেয় না!

সাধারণত মানুষ বিশ্বাস করে, যারা অনেক লোকের সঙ্গে মিশতে পারে বা তাদের সঙ্গে হাসিখুশি থাকে, তারাই সুখী মানুষ। তবে নতুন এক গবেষণা বলছে, হাসিখুশি থাকা মানুষগুলোকে সুখী ভাবা ভুল। হাসি সুখে থাকার ইঙ্গিত দেয় না।
যুক্তরাজ্যের ব্রাইটন অ্যান্ড সাসেক্স মেডিকেল স্কুলের (বিএসএমএস) এক গবেষণায় এর প্রমাণ মিলেছে। গবেষণা পরিচালনা করেন শরীরভাষা বিশেষজ্ঞ ড. হ্যারি উইচেল।
উইচেল এটাকে সামাজিক আচরণ মনে করেন। তিনি ১৮ থেকে ৩৫ বছরের ৪৪ জন অংশগ্রহণকারী নিয়ে জিওগ্রাফি কুইজ গেম প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। সেখানে নয়টি কঠিন প্রশ্ন ছিল, যার উত্তর তাঁরা ভুল দিয়েছেন।
অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেককে আলাদা কক্ষে একটি করে কম্পিউটার দিয়ে একা রাখা হয় এবং তাদের মুখভঙ্গির ভিডিও রেকর্ড করা হয়। এই নিরীক্ষাকে গবেষকদল হিউম্যান-কম্পিউটার ইন্টারর‍্যাকশন (এইচসিআই) বা মানুষ-কম্পিউটার মিথষ্ক্রিয়া বলছেন।
কুইজ শেষে অংশগ্রহণকারীদের নির্দিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতার মাত্রা জিজ্ঞেস করা হয়, যেখানে ১২টি আবেগ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়— যেমন ‘বিরক্ত’, ‘কৌতূহলী’, ‘হতাশ’ ইত্যাদি।
ভিডিওতে ধারণ করা মুখমণ্ডলের অভিপ্রায়গুলো কম্পিউটারে বিশ্লেষণ করা হয়। উইচেল বলেন, প্রকৃত হাসি হলো ভেতরের প্রফুল্লতা ও পরিতৃপ্তির প্রতিফলন। মানুষ-কম্পিউটার মিথষ্ক্রিয়ার নিরীক্ষা বলছে, সুখ হাসির ভঙ্গি দ্বারা চালিত নয়। এটা সামাজিক। এমনকি কম্পিটারের সামনেও সেই সামাজিকীকরণ থাকে।
যা হোক, অংশগ্রহণকারীরা তখনই ঠিকভাবে হেসেছেন, যখন কম্পিউটার তাদের বলেছে, উত্তর সঠিক বা বেঠিক। মজার ব্যাপার হলো, যখন তাঁদের উত্তর বেঠিক হয়েছে, তখনই তাঁরা বেশি হেসেছেন। অ্যাসোসিয়েশন অব কম্পিউটিং মেশিনারির (এসিএম) সাময়িকীতে এ গবেষণা-নিবন্ধটি প্রকাশ করা হয়েছে।


বাঁধাকপি খাবেন কেন?


যাঁরা ওজন কমাতে চান তাঁরা তাঁদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বাঁধাকপি রাখুন। পাকস্থলির আলসার ও পেপটিক আলসার প্রতিরোধে বাঁধাকপি বিশেষভাবে সহায়ক,বাঁধাকপির রস আলসারের জন্য সবচেয়ে উপকারী প্রাকৃতিক ওষুধ। নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ পড়ে না। বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও সোডিয়াম যা হাড়ের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে বার্ধক্যজনিত হাড়ের সমস্যার সম্ভাবনা হ্রাস পায়।
বাঁধাকপির কিছু গুণের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপটেন হোম রেমেডি।
• এক কাপ বাঁধাকপির মধ্যে রয়েছে ২২ ক্যালরি। কম ক্যালরি থাকার কারণে এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে।
• বাঁধাকপি শরীরের প্রদাহ কমায় এবং হার্টের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে।
• বাঁধাকপির মস্তিষ্কের জন্য ভালো। আয়োডিন থাকার কারণে এটি মস্তিষ্কের কার্যক্রম ভালো করতে সাহায্য করে এবং স্নায়ুর পদ্ধতি ঠিকঠাক রাখে।
• এটি হজম পদ্ধতি ভালো করতে সাহায্য করে। বাঁধাকপি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে কাজে দেয়।
• বাঁধাকপি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কার্যকর। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
• বাঁধাকপির মধ্যে রয়েছে সালফার ও আঁশ। এটি শরীরের বিষাক্ত পদার্থ পরিশোধনে কাজ করে।
বাঁধাকপি আলসার নিরাময়ে উপকারী। পাকস্থলির আলসার ও পেপটিক আলসার প্রতিরোধে বাঁধাকপি বিশেষভাবে সহায়ক। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, বাঁধাকপির রস আলসারের জন্য সবচেয়ে উপকারী প্রাকৃতিক ওষুধ।
পুষ্টিবিদদের মতে প্রতি ১০০ গ্রাম বাঁধাকপিতে রয়েছে –
  • খাদ্যশক্তি- ২৫ কিলোক্যালরি
  • শর্করা- ৫.৮ গ্রাম
  • চিনি- ৩.২ গ্রাম
  • খাদ্যআঁশ- ২.৫ গ্রাম
  • চর্বি- ০.১ গ্রাম
  • আমিষ- ১.২৮ গ্রাম
  • থায়ামিন- ০.৬৬১ মিলিগ্রাম
  • রিবোফ্লেভিন- ০.০৪০ মিলিগ্রাম
  • নিয়াসিন- ০.২৩৪ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন বি৬- ০.১২৪ মিলিগ্রাম
  • প্যানটোথেনিক অ্যাসিড- ০.২১২ মিলিগ্রাম
  • ফোলেট- ৪৩ আইইউ
  • ভিটামিন সি- ৩৬.৬ মিলিগ্রাম
  • ভিটামিন কে- ৭৬ আইইউ
  • ক্যালসিয়াম- ৪০ মিলিগ্রাম
  • আয়রন- ০.৪৭ মিলিগ্রাম
  • ম্যাগনেসিয়াম- ১২ মিলিগ্রাম
  • ম্যাংগানিজ- ০.১৬ মিলিগ্রাম
  • ফসফরাস- ২৬ মিলিগ্রাম
  • পটাশিয়াম- ১৭০ মিলিগ্রাম
  • সোডিয়াম- ১৮ মিলিগ্রাম
  • জিংক- ০.১৮ মিলিগ্রাম
  • ফ্লুরাইড- ১ আইইউ
এইসব পুষ্টিগুণের পাশাপাশি বাঁধাকপির রয়েছে নানান রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও।


রহস্যদ্বীপ বাল্ট্রা

বিপুলা এই পৃথিবীর কতটুকু জানি….দিকে দিকে কত দেশ আর কত রাজধানী। আসুন একটু একটু করে এই বিশ্বের তাক লাগান সব রহস্য জানবার চেষ্টা করি…………..
প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালের অনেক রহস্যই এখনো উম্মোচিত করা সম্ভব হয়নি। এমনই অদ্ভুত রহস্যেঘের এক দ্বীপ বাল্ট্রা।বাল্ট্রা মূলত মানববসতিশূন্য একটি দ্বীপ। দণি আমেরিকার ইকুয়েডরের নিকটবর্তী ১৩ টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ। আর এই ১৩টি দ্বীপের একটিই হচ্ছে বাল্ট্রা। কিন্তু এখানকার অন্য ১২টি দ্বীপ থেকে বাল্ট্রা একেবারেই আলাদা, অদ্ভুত এবং রহস্যময়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কৌশলগত কারণে এই দ্বীপপুঞ্জের কয়েকটি দ্বীপে এয়ারবেস স্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। তখনকার এয়ারবেসের একজন অফিসার ফ্রান্সিস ওয়াগনার এর মাধ্যমেই বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে বাল্ট্রা দ্বীপের অদ্ভুত চরিত্রেক কথা। এরপর অনেকেই এই দ্বীপের রহস্যময় আচরণের কথা স্বীকার করেন। এটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় দ্বীপপুঞ্জ হওয়ায় এখানে প্রচুর বৃষ্টি হয়। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো বৃষ্টির এক ফোঁটাও পড়েনা বাল্ট্রাতে। কী এক রহস্যজনক কারণে বাল্ট্রার অনেক উপর দিয়ে উড়ে গিয়ে অন্য পাশে প্রবল বৃষ্টি। বাল্ট্রা অর্ধেক পার হওয়ার পর অদ্ভুতভাবে আর এক ইঞ্চিও এগোয়না বৃষ্টির ফোঁটা। বৃষ্টি যত প্রবলই হোক এ যেন সেখানকার এক অমোঘ নিয়ম। বাল্ট্রাতে এলেই অস্বাভাবিক আচরণ করে নাবিক বা অভিযাত্রীর কম্পাস। সব সময় উত্তর দিক নির্দেশকারী কম্পাস এখানে কোন সময় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, আবার দিক-নির্দেশক কাঁটা ইচ্ছামতো ঘুরতে থাকে অথবা উল্টাপাল্টা দিক নির্দেশ করে। সবচেয়ে রহস্যজনক ব্যাপার হলো বাল্ট্রা দ্বীপের উপর প্লেনে থাকাকালীন সময়েও এমন অদ্ভুত আচরণ করে কম্পাস। আবার দ্বীপ পার হলেই সব ঠিক।
বাল্ট্রার আরেকটি অদ্ভুত দিক হলো- এর “মানসিক” দিক। অন্য বারোটি দ্বীপের তুলনায় “মৃত দ্বীপ” বাল্ট্রায় পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যে কারো মাথা অনেক হালকা হয়ে যায়। অজানা অচেনা কোন এক জায়গায় হারিয়ে যাওয়ার আশ্চর্যরকম ভালো একটা অনুভূতি আচ্ছন্ন করে ফেলে মনকে। বেশিক্ষন এ দ্বীপে থাকলে দ্বীপ থেকে চলে আসার পর কিছুদিন সেই আশ্চার্য অনুভূতি থেকে যায়। পরে অবশ্য আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যায়।
অদ্ভুত দ্বীপ বাল্ট্রায় কোন বৃক্ষ নেই। নেই কোন পশুপাখি। কোন পশুপাখি এ দ্বীপে আসতে চায় না। দ্বীপের রহস্যময়তার আবিষ্কর্তা ওয়েগনার জোর করে কিছু প্রাণীকে বাল্ট্রা এবং এর পাশের দ্বীপ সান্তাক্রুজের মধ্যবর্তী খালে ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেখা গেল বাল্ট্রাকে এড়িয়ে সান্তাক্রুজের ধার ঘেঁষে চলছে প্রাণীগুলো। শুধু তাই নয়, উড়ন্ত পাখিগুলোও উড়তে উড়তে বাল্ট্রার কাছে এসেই ফিরে যাচ্ছে। দেখে মনে হয়, যেন অদৃশ্য কোন দেয়ালে ধাক্কা খাচ্ছে ওরা।
বাল্ট্রা দ্বীপের এ রকম অদ্ভুত আচরণের কোন গ্রহণযোগ্য কারণ এখনো কেউ খুঁজে পায়নি। তবে কারো কারো মতে এখনে কোন অস্বাভাবিক শক্তির অস্তিত্ব রয়েছে যার প্রভাবে এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটছে। বিজ্ঞানীরা আজও এ রহস্যের কোন কুলকিনারা করতে পারেনি।


সফল ব্যক্তিদের চিন্তাধারা

“সফলতা” কে না চাই,সবাই চাই সফল হতে।কিন্ত কেউ সফলতা পায় ,কেউ বা হতাশ হয়।আমরা অনেক সফল ব্যক্তির জীবন কাহিনী জানি , তারা কিভাবে সফল হয়েছে তাও শুনেছি বা দেখেছি. কিন্তু আমরা কেন পারি না, এই প্রশ্ন সবার মনে?
সফলব্যক্তিদের কিছু  চিন্তাধারা ‍আমাদের সাহায্য করবে সফল হতে।
নিজেকে কখনোই থামানো যাবে না:  নিজেকে কখনো থামিয়ে রাখা যাবে না । লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। অনেক পরিশ্রম হয়ে গেছে? আর পারছেন না?  বিশ্রাম নিন, কিন্তু থেমে থাকবেন না। নিজের উপর বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যান, সফলতা আপনার কাছে ধরা দিবেই।
ভুল থেকে নতুন পরিকল্পনা চালিত করা: ভুল করেছেন বলে সব কিছু ছেড়ে দিতে হবে ! এটা চিন্তা করবেন না , ভুল আপনাকে সঠিক পথে নিয়ে যাবে। পরিকল্পনাকে নতুন ভাবে গড়ে তুলুন , যে ভুল আগে করেছিলেন সেটা যেন আবার না হয় খেয়াল করুন। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করুন।
ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা: অনেক সময় দেখা যায় লক্ষ্যের অনেক আছে এসেও ব্যর্থ হতে হচ্ছে।তখনি আমরা বেশি হতাশ হয়ে পড়ি।অনেক সময় হতাশ হওয়ার কারণে অনেক বড় দূর্ঘটনা ঘটে যায়। কিন্ত ব্যর্থতা কেন এলো তা নিয়ে চিন্তা করতে হবে , হতাশ হয়ে পড়লে চলবেনা। ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে,ব্যর্থতার কারণগুলো জানতে হবে এবং সমাধানের জন্য কাজ করতে হবে।
স্বপ্ন নিয়ে প্রতিমূর্হূতে চিন্তা করা: আপনার স্বপ্নটা নিয়ে আপনাকেই ভাবতে হবে। নিজের স্বপ্নকে নিজের মধ্যে ধারণ করতে হবে। আপনি ঘুমানোর আগে স্বপ্ন পূরণে কি কি বাঁধা থাকতে পারে তা নিয়ে চিন্তা করুন, বাধাঁ গুলো অতিক্রম করতে পারলে,      কি কি করতে পারবেন তা নিয়ে ভাবুন, আপনার অবচেনত মন তার উত্তর খুজতে থাকে। এই জন্য আমেরিকার বিখ্যাত উদ্ভাবক “Thomas Edison” বলেছেন, “Never go to sleep without a request to your subconscious”
নির্ভীক হওয়া: সফলতার পথ কখনো মসৃণ হয় না ।সফলতার পথে বাঁধা আসবেই কিন্তু ভয় পেলে চলবে না। ভয়কে জয় করতে হবে।যখন কোনো অনিশ্চায়তার পথে আমরা পা বাড়াই তখনই আমাদের মনে ভয় জমা বাধঁতে থাকে। অনেক ধরনের দুশ্চিন্তা আমাদের পথে বাঁধা হয়ে দাড়ায়।সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের অনিশ্চায়তা বা দুশ্চিন্তা পছন্দ করে না।তাই সাফল্যের দাড় প্রান্তে পৌঁছাতে হলে নিজেকে নির্ভীক হতে হবে।
শেখার পরিধি বৃদ্ধি করা: আপনার ডিগ্রি হয়ে গেছে? মনে করতে পারেন আপনার আর শেখার কিছু নাই।আপনার ধারণা পাল্টাতে হবে। শেখার কোনো শেষ নাই ,সারা বিশ্বের সফল ব্যক্তিরা কোনো না কোন বিষয়ে জানতে থাকে । অপর দিকে আপনাকে একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য বিষয়ে দক্ষ হতে হবে।ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়েও জ্ঞান অর্জন করতে হবে।শেখার কোনো বয়স বা সময় বাঁধা থাকে না।
ছোট ছোট সাফল্যের মর্ম উপলব্ধি করা: ছোট থেকে ছোট সাফল্য অর্জনের মর্ম উপলব্ধি করতে হবে।কোন সাফল্যকে ছোট করে দেখা যাবে না । মনে রাখতে হবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পানি সমুদ্র সৃষ্টি করে, তেমনি ছোট ছোট সাফল্য আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।ছোট ছোট সাফল্যের জন্য নিরলস পরিশ্রম করতে হবে।
নিজেকে ভিন্নভাবে গড়ে তোলা:  নিজেকে ভিন্নভাবে গড়ে তুলুন।নিজেকে বুঝতে হবে, আপনি কোন কাজে আত্মতৃপ্তি অনুভব করেন সেটা চিহ্নিত করুন। মানুষের সাথে তুলনা বন্ধ করতে হবে। ধৈর্য্যশীল হবেন, নিজেকে উৎসাহিত করবেন , নিজের উপর আস্থা রাখবেন । আস্থা আর কঠোর পরিশ্রম আপনাকে সফলতা এনে দেবে।
উপরোক্ত বিষয় ছাড়াও আরো অনেক বিষয় আছে যা আপনাকে সফলতার পথ দেখাবে। প্রচুর বই পরুন,বই মানুষের ভেতরকার জড়তা দূর করে নিজের ভেতরের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকাশ করতে সাহায্য করে।তাই আসুন নিজেরা পরিবর্তীত হয় এবং অন্যকে কে ও পরিবর্তীত হতে উৎসাহিত করি।


পেনড্রাইভ ওপেন হচ্ছে না ? – NO PROBLEM

যারা কম্পিউটার ব্যবহার করে, তাদের কাছে পেনড্রাইভ একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিসে পরিণত হয়েছে। সহজে বহনযোগ্য বলে দিন দিন পেনড্রাইভের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। কিন্তু অনেক সময় ভাইরাসের আক্রমণে বা অন্য কোনো কারণে কম্পিউটারে পেনড্রাইভ ওপেন হয় না। তখন অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। স্বাভাবিকভাবে পেনড্রাইভ ওপেন না হলে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে পেনড্রাইভ ওপেন করা যায়।
টিপস ১ : মাই কম্পিউটার ওপেন করে ওপরে ফোল্ডারে ক্লিক করুন। তারপর বাম পাশ থেকে পেনড্রাইভে ক্লিক করুন। অথবা মাই কম্পিউটার ওপেন করে পেনড্রাইভের ওপর মাউস রেখে রাইট বাটনে ক্লিক করে explore-এ ক্লিক করুন। পেনড্রাইভ ওপেন হয়ে যাবে। তবে ভাইরাসের আক্রমণের কারণে অনেক সময় ফোল্ডার অপশনটি খুঁজে পাওয়া যায় না বা এই অপশনটি কাজ করে না।
টিপস ২: মাই কম্পিউটার ওপেন করে অ্যাড্রেসবারে ক্লিক করে পেনড্রাইভ সিলেক্ট করুন। আশা করি, পেনড্রাইভ ওপেন হয়ে যাবে।
টিপস ৩: Start-এ ক্লিক করে Run-এ ক্লিক করুন। এখন পেনড্রাইভের ড্রাইভে যে লেটার (বর্ণ) লেখা আছে, সেটি ওই রানের বক্সে লিখে Browse অথবা ok-তে ক্লিক করুন। যেমন, আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ যদি M হয়, তাহলে লিখুন M:/ তারপর Browse অথবা ok-তে ক্লিক করুন।৪র্থত, Start থেকে Control Panel-এ গিয়ে Administrative tools-এ দুই ক্লিক করুন। তারপর Computer Management-এ দুই ক্লিক করুন। এখন বাম পাশ থেকে Disk Management-এ ক্লিক করলে ডান পাশে পেনড্রাইভসহ সব ড্রাইভের লিস্ট আসবে। সেখান থেকে পেনড্রাইভের ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে explore অথবা open-এ ক্লিক করুন। আশা করি, পেনড্রাইভ ওপেন হয়ে যাবে।
আপনার কম্পিউটার যদি অনেক বছর আগের হয়, তাহলে অনেক সময় ওই কম্পিউটারের ডেটা ট্রান্সফার রেট আর বর্তমান পেনড্রাইভের ডেটা ট্রান্সফার রেট এক নাও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে কম্পিউটার অনেক ধীরগতিতে কাজ করতে পারে বা কম্পিউটার হ্যাং করতে পারে। ডেটা ট্রান্সফার রেট সমান বা কাছাকাছি কি না, সেটা ওই কম্পিউটারে পেনড্রাইভ প্রবেশ করালেই বুঝতে পারবেন। ওপরের পদ্ধতিগুলো উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের জন্য বলা হয়েছে। অন্য কোনো অপারেটিং সিস্টেমেও এই পদ্ধতিগুলো পাওয়া যেতে পারে।


ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোন প্রিন্টারে প্রিন্ট করুন

আপনিকি জানেন? আপনি চাইলে বিশ্বের যেকোন প্রিন্টারে প্রিন্ট করতে পারেন। ফলে ফ্যাক্সের ঝামেলাটা অনেককাংশে কমে যাবে। এজন্য উভয় কম্পিউটারে ইন্টারনেটসহ প্রিন্টার শেয়ার সফটওয়্যারটি থাকতে হবে। উইন্ডোজসহ ম্যাক এবং লিনাক্স প্লাটফর্মের উপযোগী মাত্র ১.৪৪ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি www.printeranywhere.com থেকে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করুন।
ইনষ্টল করার পরে Printer Share Account আসবে। আপনার যদি পূর্বে একাউন্ট তৈরী করা থাকে তাহলে। already have account in Printer Share network নির্বাচন করে লগইন করুন। আর নতুন একাউন্ট খুলতে চাইলে Create new Printer Share Account নির্বাটিত রেখে Next করুন। এবার সকল তথ্য পূরণ করে Next এবং Finish করুন। এতে আপনার কম্পিউটারে Printer Share নামে একটি প্রিন্টার যুক্ত হবে। এছাড়াও আপনার মেইলে ইউজারের নাম এবং পাসওয়ার্ড যাবে।
প্রিন্টার সেটিংস করা:
১। এবার সফটওয়্যারটি চালু করুন।
২। পাসওয়ার্ড চাইলে পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করুন এবং পাসওয়ার্ড রিমম্বোর করে রাখুন (আপনার সুবিধার্থে)।
৩। এবার টুলস মেনু থেকে সেটিংসে গিয়ে জেনারেল ট্যাব থেকে Start with windows এ টিক চিহ্ন দিন। তাহলে উইন্ডোজের শুরুতেই সফটওয়্যারটি চালু হবে।
৪। এবার শেয়ারিং ট্যাবে Print without questions নির্বাচন করলে (কেউ প্রিন্ট দিলে) আপনার অনুমতি ছাড়াই আপনার প্রিন্টারে প্রিন্ট হবে। আর কভারপেজ ট্যাবে Print Cover page নির্বাচন না করলে কোন প্রিন্ট দিলে যে অতিরিক্ত কাভারপেজ প্রিন্ট হতো সেটি প্রিন্ট হবে না।
৫। অবশেষে Ok করুন।
প্রিন্টার শেয়ার দেয়া:
১। আপনার কম্পিউটারের কোন প্রিন্টারের শেয়ার দিতে চাইলে Printer Share থেকে কাঙ্খিত প্রিন্টার নির্বাচন করে Share বাটনে ক্লিক করুন।
প্রিন্টার যোগ করা:
১। আপনি কোন রিমোট প্রিন্টার যুক্ত করতে চাইলে Printer Share থেকে Find Printer বাটনে ক্লিক করুন।
২। এবার User ID তে কাঙ্খিত আইডি লিখে Find বাটনে ক্লিক করে সার্চ করুন। আপনি অন্যভাবেও সার্চ করতে পারেন।
৩। এবার কাঙ্খিত প্রিন্টারটি নির্বাচন করে OK করুন।
৪। আপনার যুক্ত করা প্রিন্টার অনলাইন বা অফলাইন আছে তার স্ট্যাটাস দেখা যাবে।
প্রিন্ট করা:
১। কোন ফাইল প্রিন্ট করতে হলে স্বাভাবকিভাব প্রিন্ট কমান্ড দিন এবং প্রিন্ট ডায়ালগ বক্স থেকে Printer Share প্রিন্টারটি নির্বাচন করে OK করুন।
২। এবার Printer Share@ Select Printer ডায়ালগ বক্স থেকে পছন্দের প্রিন্টার নির্বাচন করে OK করলে প্রিন্ট হবে।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget