Latest Post

 মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল। শহর জুড়ে নানা আকর্ষণ। তা ছাড়া এখান থেকে ঘুরে নিতে পারেন ইতিহাস বিখ্যাত বেশ কয়েকটি জায়গা, যেমন সাঁচি, ভীমবেটকা ইত্যাদি। তাই নিজের মতো একটা সূচি বানিয়ে ঘুরলে সুবিধা। ভোপালের জন্য দু’দিন রাখতেই হবে, তার সঙ্গে আরও দিন তিনেক বাকি জায়গাগুলি দেখার জন্য।
কিংবদন্তি এবং ইতিহাস, মিলেমিশে তৈরি হয়েছে ভোপাল শহরের গোড়াপত্তনের কাহিনি। বলা হয় ১১ শতকে পারমার রাজ ভোজ-এর হাতে পত্তন। তাঁর চর্মরোগ সারানোর জন্যে তৈরি হয় জলাশয়, যার জলে স্নান করে রাজা সুস্থ হন। তাই ভোজ-পাল (পাল অর্থাৎ বাঁধ) নাম থেকেই নাম হয়েছে ভূপাল বা ভোপাল। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এখন সেই লেক ‘আপার লেক’ বা ‘বড়া তালাও বা ‘ভোজ তাল’ নাম পরিচিত।
অনেকে বলেন মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর তাঁর সৈন্যদলের সদস্য দোস্ত মহম্মদ খান আধুনিক ভোপালের পত্তন করেন। তার আগে এখানে গোন্ড আদিবাসীদের রাজত্ব ছিল। ১৮১৯ থেকে ১৮২৬ ভোপালের লাগাম ছিল ‘নবাব বেগম অব ভোপাল’-দের হাতে।

আপার লেক

আপার লেকের সঙ্গে সেতুর সাহায্যে যোগাযোগ রয়েছে লোয়ার লেকের বা ছোট তালাওয়ের। এই লেকটি অবশ্য অতটা সুন্দর বা পরিচ্ছন্ন নয়। মন্ত্রী ছোটে খানের হাতে ১৭৯৪ সালে তৈরি হয় এই লেক।
আপার লেকের পাড়ে রাজা ভোজের মূর্তি বসেছে। এখান থেকেই শুরু করতে পারেন ভোপাল ভ্রমণ।
লেকের ধারে টিলার উপর গড়ে উঠেছে চিড়িয়াখানা এবং সাফারি পার্ক। নাম বনবিহার জাতীয় উদ্যান। পার্কে ঢোকার দু’টি গেট— লেক ভিউ রোডের দিকে চিকু দ্বার আর ভদভদা ব্রিজের দিকে রামু দ্বার। তবে শহরের স্থানীয় বাস কিন্তু এই পার্ক অব্দি যায় না। তাই সরাসরি গাড়ি বা অটোরিকশা ভাড়া করে যাওয়া সুবিধাজনক। সবুজে ঘেরা প্রায় ৫০০ হেক্টর জায়গা জুড়ে তৈরি পার্ক ঘুরে দেখতে সময় লাগে, হেঁটে ঘুরতে গেলে পায়ের জোরও চাই। অবশ্য নিজের গাড়ি নিয়ে ঘুরে দেখা যেতে পারে কিংবা সাইকেল ভাড়াও নিতে পারেন। সাধারণত সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সন্ধ্যে ৬টা অব্দি খোলা থাকে পার্ক, তবে সিজন অনুযায়ী সময়ের রদবদল ঘটে। এখানকার মুখ্য আকর্ষণ হল বাঘ, সাদা বাঘ, সিংহ, লেপার্ড, ভল্লুক, নীলগাই, শম্বর, নানা ধরনের হরিণ ইত্যাদি। আছে মস্ত পাখিরালয় আর সর্প উদ্যান। মাথাপিছু প্রবেশমূল্য ছাড়াও গাড়ির জন্য আলাদা টিকিট লাগে।
একই সফরে দেখে নিতে পারেন ভারত ভবন। স্থপতি চার্লস কোরিয়ার নকশায় তৈরি শিল্পকলা চর্চার এক বিশাল কেন্দ্র। নাচ-গান-কবিতা-চারুকলা নিয়ে চলছে নানা কর্মকাণ্ড। একটু খোঁজ নিয়ে গেলে হয়তো কোনও নাচগানের অনুষ্ঠান ও দেখার সুযোগ হয়ে যেতে পারে।

ইন্দিরা গাঁধী রাষ্ট্রীয় মানব সংগ্রহালয়
আপার লেকের পাড়ে শ্যামলা পাহাড়ের এক কোণে অবস্থিত ইন্দিরা গাঁধী রাষ্ট্রীয় মানব সংগ্রহালয়। সোমবার ও জাতীয় ছুটির দিন বাদে সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি (মার্চ থেকে অগস্ট, বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যে সাড়ে ৬টা)। নানা প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে মানুষের বিবর্তনের ইতিহাস, শিল্পকলা এবং জাতীয়তাবোধ। ইন্ডোর এবং আউটডোর, দু’রকম প্রদর্শনীই আছে। মাথাপিছু প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা (অগস্ট ২০১৮), বড় দল এবং ছাত্রদের জন্য ছাড় মেলে।

ইন্দিরা গাঁধী রাষ্ট্রীয় মানব সংগ্রহালয়

তবে ভোপালের কোনও মিউজিয়াম দেখুন বা না দেখুন, ট্রাইবাল মিউজিয়াম বা জনজাতীয় সংগ্রহালয়টি অবশ্যই দেখবেন। শ্যামলা হিলস-এর স্টেট মিউজিয়ামের কাছেই অবস্থিত এই ট্রাইবাল মিউজিয়াম শুধু যে স্থানীয় জনজাতীয় জীবনকে তুলে ধরেছে তাই নয়, যে ভাবে সেটি উপস্থাপনা করেছে, ভারতবর্ষে তার জুড়ি মেলা ভার। আদিবাসী জীবনযাত্রা, তাদের ধর্মবিশ্বাস, ঘরবাড়ি, শিল্পকলা ইত্যাদি নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। সোমবার এবং সরকারি ছুটির দিন বাদে দুপুর ১২টা থেকে খোলে, নভেম্বর থেকে জানুয়ারি সন্ধ্যে ৭টা অব্দি খোলা থাকে এবং বাকি মাসগুলি রাত ৮টা অব্দি খোলা থাকে। মাথাপিছু প্রবেশমূল্য ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ১০ টাকা। ছবি তোলার জন্য ক্যামেরা পিছু ৫০ টাকা।

বিকেল থাকতেই ফিরে আসুন আপার লেকের ধারে। উইন্ডস অ্যান্ড ওয়েভস রেস্তরাঁটি একদম লেকের উপরেই অবস্থিত। চাইলে বোটিং করতে পারেন আপার লেকে। সন্ধ্যে হলে লেকের উপর আলোর মালা জ্বলে ওঠে, চালু হয় রঙিন ফোয়ারা। আলোর মালায় সাজানো বিশাল অক্ষরে ইংরেজিতে লেখা ‘সিটি অব লেকস’ ঝকমক করে রাতের অন্ধকারে।

তাজ-উল-মাসাজিদ
ভোপালের ইসলামীয় স্থাপত্য দেখার মতো। প্রথমেই চলুন তাজ-উল-মাসাজিদ দেখতে। বেগম শা জাহান (১৮৬৮-১৯০১) এর সূত্রপাত করেন, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ হয় ১৯৭১ সাল নাগাদ। ভারতবর্ষের সর্ববৃহৎ মসজিদ। ঘিঞ্জি চকবাজারে অবস্থিত প্রথম নবাব বেগম খুদসিয়া-র পৃষ্টপোষকতায় তৈরি জুমা মসজিদ, ১৮৩৭ সালে। কাছেই রয়েছে তাঁর কন্যার তৈরি মতি মসজিদ। চক এলাকাতেই রয়েছে শওকত মহল ও সদর মঞ্জিল। বলা হয়, ফরাসি বুরবোঁ বংশের কোনও রাজপুরুষের নকশায় তৈরি শওকত মহল। সদর মঞ্জিলে নবাব বেগমদের সঙ্গে প্রজাদের দরবার।

তাজ-উল-মাসাজিদ

শহরের একদম শীর্ষে অবস্থিত বিড়লা মন্দির ও মিউজিয়াম। লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দির প্রাঙ্গন থেকে পাখির চোখে দেখে নিতে পারেন ভোপাল শহর।
বেড়ানোর ফাঁকে ফাঁকে ভোপালের খাবারের স্বাদ নিতে ভুলবেন না। এখানকার জনপ্রিয় প্রাতরাশ পোহা-জালেবি। মিষ্টি ভাল লাগলে অবশ্যই খেয়ে দেখবেন রাবড়ি-জালেবি। পুরনো ভোপাল কিছুটা ঘিঞ্জি হলেও এখানেই পাবেন মুসলিম রান্নার স্বাদ। এখানকার পায়া স্যুপ এবং নাল্লি নিহারি এবং নানা ধরনের কাবাব বেশ ভাল। যদি বাছবিচারের বালাই না থাকে, তা হলে টি টি নাগার-এর হাকিম হোটেলে ঢুঁ মারতে পারেন। শহরের দুই বিখ্যাত হেরিটেজ হোটেল, নুর উস সাবা এবং জেহান নুমা— সেখানেও ভোপালের খাবারের স্বাদ নিতে পারেন। স্ট্রিট ফুডের জন্য যেতে হবে শাহপুরা। আর সব শেষে ভোপালি পানের কথা ভুললে চলবে না। চুন-খয়ের-সুপুরির সঙ্গে নানা ধরনের ড্রাই ফ্রুটের বাহার।

ভীমবেটকা
ভোপাল থেকে এক দিনেই ঘুরে আসা যায় ভোজপুর এবং ভীমবেটকা। ভোপাল থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে বেতোয়া নদীর তীরে ভোজপুর। গাড়িতে সময় লাগে প্রায় এক ঘণ্টা। এখানেও রাজা ভোজকে ঘিরে নানা কাহিনি| বলা হয় রাজা ভোজ বেতোয়া নদীকে কাজে লাগিয়ে দু’টি বাঁধ তৈরি করেছিলেন এখানে। পরবর্তীকালে মালোয়া-র রাজা হোসাঙ্গ শাহ একটি বাঁধ কেটে দেন প্রজাদের অনুরোধে।

ভোজপুরের প্রধান আকর্ষণ ভোজেশ্বর মন্দির। কোনও অজ্ঞাত কারণে মন্দিরটি সম্পূর্ণ হয় নি। মন্দিরের গায়ে রয়েছে বেশ কিছু কারভিং। ভেতরে রয়েছে বিশাল এক শিবলিঙ্গ। একটি পাথর কেটে তৈরি ১৮ ফুট উঁচু আর প্রায় সাড়ে-৭ ফুট ব্যাস। দূর-দূরান্ত থেকে পুজো দিতে আসেন লোকজন। কেন্দ্রীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগের অধীন এই মন্দির।
এখান থেকে আরও ২৫-২৬ কিমি গিয়ে ভীমবেটকা। প্রস্তরযুগ-এর গুহা-চিত্রের জন্য বিখ্যাত। গাড়ি নামিয়ে দেবে সামান্য দূরে। সেখান থেকে হেঁটে পৌঁছন প্রায় ৩০ হাজার বছরের পুরনো এই গুহাগুলির কাছে।
গুহায় ছবির সন্ধান মিলেছেসঙ্গে গাইড নিলে ভাল। কারণ প্রায় সাড়ে সাতশো গুহা আছে এখানে, যার মধ্যে প্রায় পাঁচশোটি গুহায় ছবির সন্ধান পাওয়া গেছে। কিন্তু সব গুহা তো ঘুরে দেখা সম্ভব নয়। তাই গাইড আপনাকে নির্দিষ্ট পথে নিয়ে গিয়ে বাছাই করা কিছু গুহা দেখাবেন যাতে আপনি ছবির বিবর্তন পরিষ্কার বুঝতে পারেন। বেশ কিছু উঁচু-নিচু পথে হাঁটতে হবে তাই সেইমতো জুতো পরবেন। ২০০৩ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের তকমা পায় এই রক শেল্টার। এখানে প্রবেশমূল্য লাগে।
ভীমবেটকা থেকে ভোপালের দূরত্ব মোটামুটি ৫০ কিমি, সময় লাগে ঘণ্টা দেড়েক। ভোপাল ফিরে যদি হাতে সময় থাকে তা হলে কিছু কেনাকাটা সেরে নিতে পারেন। একাধিক আধুনিক শপিং মল তো আছেই, আর দরদাম করে কিনতে চাইলে ফিরে যান চক বাজারে। যেতে পারেন ভোপালের নিউ মার্কেটে অথবা হাবিবগঞ্জ মার্কেটে।
হাতে কী রকম সময় নিয়ে ঘুরছেন তার উপর নির্ভর করবে ভীমবেটকা দেখে ভোপাল ফিরে আসবেন না কি সোজা চলে যাবেন সাঁচি। ভীমবেটকা থেকে সাঁচীর দূরত্ব প্রায় ৯০ কিমি, সময় লাগে প্রায় আড়াই ঘণ্টা। ভোপাল থেকে সাঁচির দূরত্ব প্রায় ৫০ কিমি, সময় লাগে এক ঘণ্টার সামান্য বেশি।

সাঁচির প্রবেশপথ
সাঁচি বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে এক সুদৃশ্য তোরণ আর মহাস্তূপের ছবি। বৌদ্ধ সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত সাঁচি ১৯৮৯ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পায়। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় বা প্রথম শতাব্দী থেকে প্রায় দ্বাদশ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এখানে বৌদ্ধ ধর্মের প্রচলন ছিল। এখন বিশাল এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে প্রাচীন স্তূপ, প্রাসাদ, মন্দির, মূর্তি, তোরণ, স্তম্ভের ধ্বংসাবশেষ। প্রত্যেকটি নিয়ে রয়েছে নানা তথ্য। সরকার স্বীকৃত গাইড নিয়ে ঘুরে দেখলে ভাল লাগবে অথবা বই নিয়ে নিজে ঘুরে দেখে নিতে পারেন। মহাস্তূপটির উচ্চতা ৪২ ফুট এবং ব্যাস ১০৬ ফুট। তোরণের গায়ে জাতকের কাহিনি দেখানো হয়েছে। সাঁচি কমপ্লেক্সের মধ্যে অবস্থিত মিউজিয়ামটি শুক্রবার বাদে বাকি দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা অব্দি খোলা।
তবে মনে রাখবেন, বিশাল প্রাঙ্গণ, সবটাই খোলা আকাশের নীচে। তাই দুপুরে রোদ্দুরে ঘুরতে কষ্ট হতে পারে, বিশেষ করে সঙ্গে বাচ্চা বা বয়স্ক লোক থাকলে। তাই সকালে বা বিকেলের দিকে ঘুরে দেখতে পারেন। সঙ্গে অবশ্যই টুপি বা ছাতা এবং পানীয় জল রাখবেন। মধ্যপ্রদেশ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের টুরিস্ট লজে দুপুরের খাওয়া সারতে পারেন।
সাঁচিকে কেন্দ্র করে ঘুরে নিতে পারেন বিদিশা, উদয়গিরি এবং গৈরাসপুর। সাঁচি থেকে বিদিশা ১০ কিমি, বিদিশা থেকে উদয়গিরি আরও ৬ কিমি। এখান থেকে সাঁচি প্রায় ৯ কিমি। সাধারণত সাঁচি থেকে এই দু’টি জায়গা দেখেই ইতি টানেন পর্যটকেরা। তবে হাতে বেশ কিছুটা সময় থাকলে ঘুরে নিতে পারেন গৈরাসপুর, সাঁচি থেকে প্রায় ৫০ কিমি এবং বিদিশা থেকে ৪০ কিমি।
কবি জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কবিতাটি অনেকের পড়া না থাকলেও, বাঙালি মাত্রেই একটা লাইনের সঙ্গে অবশ্যই পরিচিত— চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা। প্রাচীনকালে নাম ছিল বেসনগর। রামায়ণে উল্লেখ আছে বিদিশা-র, উল্লেখ আছে কবি কালীদাসের মেঘদূত কাব্যে। বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে খ্যাতি ছিল বিদিশার। এখানকার এক ধনী ব্যবসায়ীর কন্যাকে বিবাহ করেন ভবিষ্যতের সম্রাট অশোক। ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বৌদ্ধ স্তূপ। আছে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে একাদশ শতাব্দীর মন্দির। কিছুটা দূরে আছে হেলিওডোরাস পিলার, স্থানীয়রা বলেন খাম্বা বাবা। বলা হয়, কোনও এক গ্রিক নাগরিক এই পিলারটি তৈরি করেন ভগবান বিষ্ণুর উদ্দেশে। হাতে সময় থাকলে মিউজিয়ামটি ঘুরে দেখে নিতে পারেন।

উদয়গিরি
উদয়গিরি-র খ্যাতি তার গুহামন্দিরের জন্য। পাহাড় কেটে চতুর্থ থেকে পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে তৈরি। এখানকার সবচেয়ে বিখ্যাত কারভিং হল বরাহ অবতাররূপী বিষ্ণুর পৃথ্বীকে হিরণ্যাক্ষ রাক্ষসের থেকে রক্ষা করার দৃশ্যটি। কুড়িটির মতো গুহামন্দির যাচ্ছে এখানে।
গৈরাসপুরে আছে একাধিক প্রাচীন স্থাপত্য— নবম শতাব্দীর মালাদেবী মন্দির, হিন্দোল তোরণ, আটখাম্বা ও চৌখাম্বা নামের পিলার সমূহ, বৌদ্ধস্তূপ ইত্যাদি।
ইতিহাস, স্থাপত্য নিয়ে ঘোরাঘুরি করে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? তবে চলুন হালালি ড্যাম-এর ধারে জিরিয়ে নিতে। চাইলে ট্যুরিস্ট লজে দু’টি রাত কাটিয়েও নিতে পারেন। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনার মন ভাল করে দেবে। ইচ্ছেমতো ভেসে পড়ুন নৌকো চেপে লেকের জলে। সাঁচি থেকে হালালির দূরত্ব প্রায় ২৫ কিমি এবং ভোপাল থেকে ৪০ কিমি। তাই মনে রাখবেন ছুটির দিনে, বিশেষ করে পর্যটক মরসুমে ভিড় হতে পারে হালালি-তে।


অনলাইনে ভার্চুয়াল কাজের পরিমান বাড়ছে। ইমেইল আদান প্রদান, ক্লাউড ফাইল ব্যবহার করে ডক ফাইল চালাচালি, নেটওয়ার্কিংয়ের সুবিধা, ব্লুটুথের ব্যবহার এভাবেই চলছে দৈনন্দিন কাজ। কাগজের ব্যবহার কমাতে সবাই উদ্যোগ হচ্ছে। তবুও অনেক ক্ষেত্রে প্রিন্ট না হলে চলে না।

এমন ক্ষেত্রে কম্পিউটারের সঙ্গে প্রিন্টার যুক্ত করার প্রয়োজন হলে ডাকতে হয় টেকনিশিয়ানদের। তবে আপনি চাইলে কিন্তু নিজেই এ কাজটি করতে পারেন। কম্পিউটারের সঙ্গে সংযোগ দেওয়া বা ড্রাইভার ইন্সটল করা বেশ জটিল কাজ মনে হতে পারে অনেকের কাছে। তবে কয়েকটি ধাপ অবলম্বন করে প্রিন্টার সহজে যুক্ত করা যায়।


এ টিউটোরিয়ালে সহজ সে প্রক্রিয়াটিই তুলে ধরা হলো।

১. প্রিন্টারকে সব সময় কম্পিউটারের যতটা সম্ভব কাছাকাছি সংযোগ করতে হবে। এতে ক্যাবলের সাহায্যে যুক্ত করা যায় সহজে।

২. প্রতিটি প্রিন্টারের সাথে ডিভিডিটিতে ড্রাইভার সফটওয়্যার থাকে। সেটি কম্পিউটারে ইন্সটল করেত হবে। সাধারণ সফটওয়্যারের মতই এটি ইন্সটল করতে হবে।

৩. যদি সফটওয়্যার দেওয়া না থাকলেও চিন্তার কারণে নেই। ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে প্রিন্টারটি যুক্ত হলে উইন্ডোজ সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে ড্রাইভারটি খুঁজে নেবে।

৪. প্রিন্টারের ক্যাবলটি যুক্ত করে কম্পিউটার স্ক্রিনে সাজেশন আসবে ড্রাইভার সফটওয়্যারটির আপডেট সম্পর্কে। তখন ইন্সটল বাটনে ক্লিক করতে হবে।

৫. সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ হলে ‘Control Panel-এ গিয়ে “Devices and Printers” গেলে নতুন ইন্সটল করা প্রিন্টারটি খুঁজে পাওয়া যাবে।

এরপর স্বাভাবিকভাবেই প্রয়োজনীয় ফাইল প্রিন্ট দিতে পারবেন।


Do you watch YouTube’s videos, It might be Musics, Comedies, Movies, How to guide, reviews and lots of entertainment videos…

…but are you aware of how much data is consumed per minute, hour, day etc watching videos?
Many of us don’t know.

So Here:
We have posted the table with every quality of YouTube Video with data size that used while watching videos.

Have a look:

How Much Data YouTube Consumed:

  • Per Minute
  • Per 30 Minutes
  • Per Hour
  • Per 2 Hours
  • Per Day
Just click on the above link to directly jump on that section.

YouTube Videos Data Used Per Minute:

YouTube Video QualityData Used Per Minute
144p1.90 MB
240p2.70 MB
360p4.40 MB
480p7.70 MB
720p HD14.50 MB
1080p HD27.61 MB

How Much Data Does YouTube Use Per 30 Minutes

YouTube Video QualityData Used Per 30 Minutes
144p57 MB
240p81 MB
360p132 MB
480p231 MB
720p HD435 MB
1080p HD824 MB

How Much Data Does YouTube Use Per Hour

YouTube Video QualityData Used 1 Hour
144p114 MB
240p162 MB
360p264 MB
480p462 MB
720p HD870 MB
1080p HD1.54 GB

How Much Data Does YouTube Use 2 Hours

YouTube Video QualityData Used 2 Hours
144p228 MB
240p234 MB
360p528 MB
480p924 MB
720p HD1.62 MB
1080p HD3.08 GB

How Much Data Does YouTube Use Per Day

YouTube Video QualityData Used 24 Hour
144p3.22 GB
240p3.62 GB
360p5.9 GB
480p10.33 GB
720p HD19.45 GB
1080p HD36.96 GB

The above size of data is tested on many phones and internet connection.

Hope this was very helpful tips for you.

Don’t forget to share this How much data YouTube video Used.


In PHP when we try to use these 2 method $_POST and $_GET to get users filled form data in our website, we always get Undefined Index Error.
Why?
Because when we open the form page or the page where we put those 2 methods, it’s not have any value set or is NULL
…so when the users filled the form and submit, the error will remove, because it will get the value.
Let’s know how to fix this.

Fix Undefined Index Error PHP

It’s simple, you just need to use isset() function.
What isset() does?
Isset function determine if a variable is set and is not NULL
Here is the code example that will fix undefined index error.
<?php

if(isset($_POST['field-name'])){

/* Do something */

}
form.php hosted with 💓 by GitHub
Just change the value of $_POST to your own form field.

That’s it.
If you have any error or questions, ask in the comment box.
Don’t forget to share this Solution of Undefined Index Error


Do you want to know all windows commonly and advanced shortcut keys to speedup your productivity and work more efficiently. Here we are posting all of computer keyboard shortcut keys that will make your life easy and fast.

List of Computer keyboard shortcuts keys:-

Windows system shortcut keys

  • F1: Help
  • CTRL+ESC: Open Start menu
  • ALT+TAB: Switch between open programs
  • ALT+F4: Quit program
  • SHIFT+DELETE: Delete item permanently
  • Windows Logo+L: Lock the computer (without using CTRL+ALT+DELETE)

Windows common & program shortcut keys

  • CTRL+C: Copy
  • CTRL+X: Cut
  • CTRL+V: Paste
  • CTRL+Z: Undo
  • CTRL+B: Bold
  • CTRL+U: Underline
  • CTRL+I: Italic

Mouse click/keyboard modifier combinations for shell objects

  • SHIFT+right click: Displays a shortcut menu containing alternative commands
  • SHIFT+double click: Runs the alternate default command (the second item on the menu)
  • ALT+double click: Displays properties
  • SHIFT+DELETE: Deletes an item immediately without placing it in the Recycle Bin

General keyboard-only commands

  • F1: Starts Windows Help
  • F10: Activates menu bar options
  • SHIFT+F10 Opens a shortcut menu for the selected item (this is the same as right-clicking an object
  • CTRL+ESC: Opens the Start menu (use the ARROW keys to select an item)
  • CTRL+ESC or ESC: Selects the Start button (press TAB to select the taskbar, or press SHIFT+F10 for a context menu)
  • CTRL+SHIFT+ESC: Opens Windows Task Manager
  • ALT+DOWN ARROW: Opens a drop-down list box
  • ALT+TAB: Switch to another running program (hold down the ALT key and then press the TAB key to view the task-switching window)
  • SHIFT: Press and hold down the SHIFT key while you insert a CD-ROM to bypass the automatic-run feature
  • ALT+SPACE: Displays the main window’s System menu (from the System menu, you can restore, move, resize, minimize, maximize, or close the window)
  • ALT+- (ALT+hyphen): Displays the Multiple Document Interface (MDI) child window’s System menu (from the MDI child window’s System menu, you can restore, move, resize, minimize, maximize, or close the child window)
  • CTRL+TAB: Switch to the next child window of a Multiple Document Interface (MDI) program
  • ALT+underlined letter in menu: Opens the menu
  • ALT+F4: Closes the current window
  • CTRL+F4: Closes the current Multiple Document Interface (MDI) window
  • ALT+F6: Switch between multiple windows in the same program (for example, when the Notepad Find dialog box is displayed, ALT+F6 switches between the Find dialog box and the main Notepad window)

File and general folder/Windows Explorer shortcuts

For a selected object:
  • F2: Rename file or folder
  • F3: Find all files
  • CTRL+X: Cut (means to move files or folder to another folder)
  • CTRL+C: Copy
  • CTRL+V: Paste
  • SHIFT+DELETE: Delete selection immediately/Permanently Delete, without moving the item to the Recycle Bin
  • ALT+ENTER: Open the properties for the selected object
To copy a file
Press and hold down the CTRL key while you drag the file to another folder.
To create a shortcut
Press and hold down CTRL+SHIFT while you drag a file to the desktop or a folder.

General folder/shortcut control

  • F4: Selects the Go To A Different Folder box and moves down the entries in the box (if the toolbar is active in Windows Explorer)
  • F5: Refreshes the current window.
  • F6: Moves among panes in Windows Explorer
  • CTRL+G: Opens the Go To Folder tool (in Windows 95 Windows Explorer only)
  • CTRL+Z: Undo the last command
  • CTRL+A: Select all the items in the current window
  • BACKSPACE: Switch to the parent folder
  • SHIFT+click+Close button: For folders, close the current folder plus all parent folders

Windows Explorer shortcut key

  • Numeric Keypad *: Expands everything under the current selection
  • Numeric Keypad +: Expands the current selection
  • Numeric Keypad -: Collapses the current selection.
  • RIGHT ARROW: Expands the current selection if it is not expanded, otherwise goes to the first child
  • LEFT ARROW: Collapses the current selection if it is expanded, otherwise goes to the parent

Properties control

  • CTRL+TAB/CTRL+SHIFT+TAB: Move through the property tabs

Accessibility shortcuts keys

  • Press SHIFT five times: Toggles Sticky Keys on and off
  • Press down and hold the right SHIFT key for eight seconds: Toggles Filter Keys on and off
  • Press down and hold the NUM LOCK key for five seconds: Toggles Toggle Keys on and off
  • Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK: Toggles Mouse Keys on and off
  • Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN: Toggles high contrast on and off

Microsoft Natural Shortcut Keyboard keys

  • Windows Logo: Start menu
  • Windows Logo+R: Run dialog box
  • Windows Logo+M: Minimize all
  • SHIFT+Windows Logo+M: Undo minimize all
  • Windows Logo+F1: Help
  • Windows Logo+E: Windows Explorer
  • Windows Logo+F: Find files or folders
  • Windows Logo+D: Minimizes all open windows and displays the desktop
  • CTRL+Windows Logo+F: Find computer
  • CTRL+Windows Logo+TAB: Moves focus from Start, to the Quick Launch toolbar, to the system tray (use RIGHT ARROW or LEFT ARROW to move focus to items on the Quick Launch toolbar and the system tray)
  • Windows Logo+TAB: Cycle through taskbar buttons
  • Windows Logo+Break: My Computer System Properties dialog box
  • Application key: Displays a shortcut menu for the selected item

Microsoft Natural Keyboard with IntelliType software installed

  • Windows Logo+L: Log off Windows
  • Windows Logo+P: Starts Print Manager
  • Windows Logo+C: Opens Control Panel
  • Windows Logo+V: Starts Clipboard
  • Windows Logo+K: Opens Keyboard Properties dialog box
  • Windows Logo+I: Opens Mouse Properties dialog box
  • Windows Logo+A: Starts Accessibility Options (if installed)
  • Windows Logo+SPACEBAR: Displays the list of Microsoft IntelliType shortcut keys
  • Windows Logo+S: Toggles CAPS LOCK on and off

Dialog box shortcut keys

  • TAB: Move to the next control in the dialog box
  • SHIFT+TAB: Move to the previous control in the dialog box
  • SPACEBAR: If the current control is a button, this clicks the button. If the current control is a check box, this toggles the check box. If the current control is an option, this selects the option.
  • ENTER: Equivalent to clicking the selected button (the button with the outline)
  • ESC: Equivalent to clicking the Cancel button
  • ALT+underlined letter in dialog box item: Move to the corresponding item

During Boot shortcut keys

  • F8: Display Windows start & diagnostic menu
  • Delete: Go to Bios Setting on Gigabyte motherboard.
  • F2: Go to Bios Setting on Intel motherboard.
If we forgot to put any shortcut keys what you know. Please let us know in below comment box.

আপনার আমার অনেকেরই কম্পিউটার আছে,বা না থাকলেও অনেকের ইচ্ছা আছে কম্পিউটার কেনার।এখন অনেকের মনে অনেক ধরণের প্রশ্ন থাকে যেমন, কম্পিউটার কেনার পর কিভাবে নিরাপদ থাকা যায়,কিভাবে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়,কিভাবে দক্ষতার সাথে ব্যবহার করা যায়।আজকে আমি আমার এই টিউনে  নিরাপদে,দক্ষতার সাথে এবং সহজ ঝামেলাহীন ভাবে কিভাবে কম্পিউটার ব্যবহার করা যায় তার কিছু টিপস দিবো।আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে।কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে নিম্নোক্ত দশটি বিষয় মনে রাখা খুব প্রয়োজন।

সহজ ব্যাক আপ সিস্টেম চালু করা :

কম্পিউটার ব্যবহার কালে আমাদের নানা ধরণের প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি আমরা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করি।এই তথ্যাবলি আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।কোনো কারনে যদি তথ্যাবলি হারিয়ে যায় বা ভাইরাসের জন্য বিনষ্ট হয় তবে আমাদের কিছুই করার থাকবে না যদিনা আমাদের আগে থেকে ব্যাক আপ থাকে।এই ব্যাক আপ অনলাইনেও করা যায় আবার অফলাইনেও করা যায়।অনলাইনে যেমন-গুগল ড্রাইভ,ড্রপবক্স এগুলোতে ইন্টারনেট ডেটা খরচের বিনিময়ে তথ্যাবলি সংরক্ষণ করা যায়।এগুলো আমাদের বিনামূল্যে স্টোরেজ সুবিধা দেয়,কিন্তু যেহেতু আমাদের তথ্যাবলি তাদের সার্ভারে পাঠাতে হবে অর্থাৎ আপলোড করতে হবে,তাই ডেটা খরচ লাগবে।অফলাইনে ব্যাক আপ করতে গেলে আমাদের কম্পিউটারের জন্য এক্সটারনাল হার্ডড্রাইভ কিনতে হবে।আজকাল প্রায় যেকোনো কম্পিউটার শো-রুমেই এক্সটারনাল হার্ডড্রাইভ পাওয়া যায়।

কাজ সহজ এবং দ্রুত করার জন্য শর্টকাট জেনে রাখা :

কম্পিউটারে অনেক ধরণের শর্টকাট রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই আমাদের কাজ গুলো করতে পারি।এই শর্টকাট গুলো প্রথম প্রথম মনে রাখতে একটু কষ্ট হবে কিন্তু চর্চা করতে করতে এগুলো একসময় পানির মতো লাগবে।কিছু শর্টকাট হলো-

  • ctrl+c=কপি।
  • ctrl+x=কাট।(এটা মুভের মতো কাজ করে,কোনো জিনিস এক স্থান থেকে সরিয়ে ফেলে অন্য স্থানে নেওয়ার প্রথম ধাপকে বোঝায়।)
  • ctrl+v=পেস্ট।(কপি /কাট করার পর দ্বিতীয় ধাপ হলো পেস্ট।কাঙ্ক্ষিত স্থানে পেস্ট করতে হয়।)
  • ctrl+z=আনডো।(কোনো কাজ করে ফেলার পর আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনাকে বোঝায়।)
  • ctrl+esc=স্টার্ট মেনু চালু হবে।বা উইন্ডোজ লোগো কি চাপ দিলেই হবে।
  • ctrl+d=ডিলিট করে রিসাইকেল বিনে পাঠানো
  • ctrl+a=সমস্ত আইটেম সিলেক্ট করা(নির্দিষ্ট স্থানের)
  • shift+Delete=স্থায়ীভাবে ডিলিট করা,(রিসাইকেল বিনে যাবে না)
  • ctrl+shift+esc=টাস্ক ম্যানেজার চালু করা(এর মাধ্যমে আপনি চলমান কোনো অ্যাপ ক্লোজ করতে পারবেন।)
  • Windows logo Key+E= উইন্ডোজ ফাইল ম্যানেজার চালু করা (মাই কম্পিউটার যাকে বলে)
এছাড়াও নানা ধরণের শর্টকাট কি আছে,তবে উপরের গুলো কমন।এছাড়া আপনি বিভিন্ন সফটওয়ারের জন্য বিভিন্ন ধরণের শর্ট কাট খুঁজে পাবেন সফটওয়ারের প্রিফারেন্স বা সেটিংসে।এগুলো মনে রাখলে কাজ করতে অনেক সুবিধা হয় এবং কাজ অনেক ফাস্ট হয়।

ভাইরাস থেকে নিজেকে নিরাপদে রাখা :




বর্তমান যুগে ভাইরাস সম্পর্কে বেশির ভাগেরই কম বেশি ধারণা আছে।এই গুলো কম্পিউটারের নানা ধরণের ক্ষতি করে। এই ভাইরাস থেকে নিজেকে নিরাপদে রাখা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।ভাইরাস কিরকম হয় বা ভাইরাসের শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কে জানতে আমার পূর্বের টিউনটি দেখতে পারেন।ভাইরাস থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য আমাদের ভালো মানের এন্টিভাইরাস ইন্সটল করতে হবে।ফ্রি এন্টিভাইরাস অনলাইনে অনেক পাওয়া যায়,তবে খুব কম এন্টিভাইরাসই রিয়েল টাইম নিরাপত্তা দেয়।সেজন্য আমাদের ভালো কম্পিউটার শো-রুম থেকে ভালো মানের এন্টিভাইরাস কিনতে হবে।আজকাল কিন্তু এন্টিভাইরাসের নকলও আছে আমাদের দেশে।তাই ভালো শো-রুমের কথা বললাম।ভালো মানের এন্টিভাইরাসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য গুলো হলো-ক্যাস্পারেস্কি,পান্ডা,এভিরা,নরটন ইত্যাদি।
এগুলোর ১ বছর মেয়াদি এন্টিভাইরাস ১০০০ এর বেশী নিবে না।যতই হোক নিজের কম্পিউটার বলে কথা।এগুলো না থাকলে ভাইরাস অ্যাটাক করবে এবং কম্পিউটার সারানোর জন্য এই দোকান থেকে ওই দোকানে ছোটাছুটি করা লাগবে।মাঝখান থেকে বিশাল পরিমান অর্থ খরচ হয়ে যাবে।এর চেয়ে আগে থেকে এন্টিভাইরাস কিনে নিরাপদ থাকা ভালো নয়কি?এন্টিভাইরাস কিনে বসে থাকলে হবে না।নিয়মিত হালনাগাদ বা আপডেট করতে হবে।নইলে নতুন নতুন ভাইরাসের প্যাটার্ন এন্টিভাইরাস ধরতে পারবে না।

ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য নেটওয়ার্ক সেট আপ করা :


কম্পিউটার থাকবে আর তাতে নেট কানেকশন থাকবে না এটা কেমন জানি অদ্ভুত শোনায় তাই না?কম্পিউটারে নেট কানেকশন নানা ভাবে নেওয়া যায়।যদি প্রচুর পরিমান ডাউনলোড,মুভি দেখা,গান শোনার প্রয়োজন হয় তবে ব্রডব্যান্ড কানেকশন নেওয়াই ভালো।এজন্য নিকটস্থ ব্রডব্যান্ড প্রোভাইডারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।ডেটা ও স্পিডের উপর নির্ভর করে চার্জ হবে।ব্রডব্যান্ড ছাড়া মডেম ইউজ করতে পারেন।সেজন্য যে অপারেটরের মডেম ইউজ করতে চান(যেমন গ্রামীণফোন) সে অপারেটরের কাস্টোমার কেয়ার বা যেখানে সিম/মডেম পাওয়া যায় সেখানে যোগাযোগ করাই ভালো।বাইরে অনেক সময়
বিক্রি করা হয় তবে এখন কার দিনে ওগুলো না কেনাই ভালো।মডেম কেনার পর প্রয়োজনীয় নির্দেশনা তাদের কাছে জিজ্ঞাস করতে পারেন অথবা আপনি যদি সংকোচ বোধ করেন তবে নেটে এই বিষয়ে সার্চ দিলেই বিস্তারিত পাবেন।মডেম কম্পিউটারে ইনস্টল করা তেমন কঠিন ব্যাপার না।শুধু কিছু ড্রাইভার ইনস্টল করা লাগবে আর কিভাবে অন করবেন তা জানা
লাগবে।আপনার যদি এই বিষয়ে কম ধারণা থাকে তবে অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নেওয়াই ভালো।মডেম,ব্রডব্যান্ড ছাড়া আপনি ওয়াইফাই কানেকশনও নিতে পারেন।আপনার কাছে যদি এসবের মধ্যে যদি কোনো রাস্তাই খোলা না থাকে তবে আপনি নিজের এন্ড্রয়েড ফোন দিয়েও কম্পিউটারে ইন্টারনেট চালাতে পারেন।

কম্পিউটার থেকে অযথা ইনস্টল করা জিনিস অপসারণ :

 আমরা যখন কম্পিউটার কিনি তখন দোকানের যিনি অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে দেন তিনি নানা ধরণের সফটওয়ারও ইনস্টল করে দেন।এসবের মধ্যে
যেগুলো আপনি কখনো ব্যবহার করবেন না সেগুলো সরিয়ে ফেলাই ভালো।তা করতে হলে আপনাকে কম্পিউটারের control pannel এ গিয়ে programs and features এ যেতে হবে।Programs and features এই নামটি ভিন্ন হতে পারে তবে program কথাটি থাকবে।ওখানে গিয়ে আপনার অপ্রয়োজনীয় জিনিস গুলো আনইনস্টল করে দিতে পারেন।এছাড়া কোনো সফটওয়ার দরকার ছাড়া ইনস্টল করবেন না।ইনস্টল করার পর যদি তা আর কোনো কাজে না লাগে তবে তা আনইনস্টল করে দেওয়াই ভালো।তবে পরবর্তীতে যদি লাগে সেজন্য সফটওয়ারের ভাইরাস মুক্ত মূল ফাইল টি রাখা যেতে পারে।এটি সাধারণত কোনো আর্কাইভারের মধ্যে(.zip/.rar), .exe আকারে বা সমস্ত দরকারি জিনিস নিয়ে সফটওয়ারের নাম সমৃদ্ধ ফোল্ডারে থাকতে পারে।

আপনার কম্পিউটারকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রন :

এটি করার জন্য আপনাকে রিমোট অ্যাক্সেস সফটওয়ার ইনস্টল করতে হবে।যেমন-টিমভিউয়ার।এটির মাধ্যমে যেকোনো সময় আপনি আপনার কম্পিউটার কে আপনার এন্ড্রয়েড দিয়ে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।তবে খুব বেশি প্রয়োজন না হলে এতো ঝামেলায় যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

কম্পিউটারের মেইন্টেনেন্স বা রক্ষণাবেক্ষন :

আপনি কম্পিউটার কিনেছেন এখন যত্ন না করলে কেমন হবে?গাছের চারা কিনলেন কিন্তু পানি দিলেন না,তাহলে তো গাছ মরে যাবে।সেরকমই ব্যাপার।কম্পিউটারের রক্ষণাবেক্ষণ করা অপ্রয়োজনীয় কিছুর মধ্যে পড়েনা।আপনার কম্পিউটারকে ভালো রাখত হলে আপনাকে এটি করতে হবে। তাহলে কিভাবে করব,বা কিই বা করব?কম্পিউটারের রক্ষনাবেক্ষন করতে হলে আপনাকে কিছু জিনিস সম্পর্কে জানতে হবে।যেমন-উইন্ডোজ আপডেট; আপনি যদি উইন্ডোজ ১০ বা উইন্ডোজ ৮.১ ব্যবহার করে থাকেন তবে নিয়মিত উইন্ডোজ আপডেট রাখা ভালো।যদিও এতে প্রচুর পরিমাণে ডেটা কাটে,তবুও এই ব্যাপারে আমি সাজেশন দিলাম,কারণ এর মাধ্যমে আপনি নিত্যনতুন ফিচার পাবেন,বাগ বা ত্রুটি গুলো সারানো যাবে যাতে করে আপনি ভালোভাবে কম্পিউটার ইউজ করতে পারবেন।এরপরে আসে টেম্পোরেরি ফাইল সরানো,রেজিস্ট্রি ক্লিন করা ইত্যাদি।
এগুলো করতে আপনি “সি-ক্লিনার” নামক সফটওয়ার টি ইউজ করতে পারেন,এটি খুবই ফাস্ট এবং দক্ষতার সাথে কাজ করে।এগুলো করা ছাড়াও আপনি হার্ড ডিস্কের সুরক্ষার জন্য ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টেশন করতে পারেন,এজন্য আপনাকে মাই কম্পিউটার বা উইন্ডোজ ফাইল ম্যানেজারে গিয়ে যে ডিস্কের ডিফ্রেগমেন্টেশন করতে চান  যে ডিস্কের প্রোপারটিজে যেতে হবে,পরে টুলস অপশনে গেলে ডিফ্রেগমেন্টেশনের অপশন টা পাবেন।এগুলো করলেই মোটামুটি আপনি আপনার কম্পিউটারের মেইনটেনেন্স বা রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারবেন।

কম্পিউটারের ফাইল শেয়ারিং :

কম্পিউটারের সাথে এন্ড্রয়েডের ফাইল শেয়ারিং এখনকার দিনের একটা ফ্যাশন।কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি কম্পিউটারের আছে,এখন আপনি তা আপনার মোবাইলে নিতে চাচ্ছেন;তাহলে আপনাকে কি করতে হবে?সব থেকে সহজ পথ টা হলো ইউএসবি কেবল এর মাধ্যমে সংযোগ দিয়ে ফাইল আদান প্রদান করা।এজন্য বাড়তি কিছু করার প্রয়োজন নেই। তারের সংযোগের পর এন্ড্রয়েডে কিছু কনফারমেশন চাইবে,বা এরকম জাতীয়,ওগুলো ওকে করলেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড স্টোরেজ মাই কম্পিউটারে দেখতে পাবেন।এরপরে খালি কাট/কপি এবং পেস্টের ব্যাপার।এছাড়া কোনো কারণে যদি ইউএসবি কেবল না থাকে তবে একটা জিনিস বলে রাখি, উইন্ডোজ এর জন্যও কিন্তু শেয়ারইট আছে।তার মাধ্যমেও আপনি ফাইল আদান প্রদান করতে পারবেন।এছাড়া কোনো অপশন না থাকলে আপনি ব্লুটুথ ইউজ করতে পারেন যাতে স্পিড অনেক কম।এজন্য শিওর হয়ে নিতে হবে আপনার কম্পিউটারে ব্লুটুথ আছে কিনা।
আজকাল সব নতুন কম্পিউটারেই ব্লুটুথ থাকে।run এ গিয়ে “fsquirt” টাইপ করলে ব্লুটুথ মেনু চালু হবে।তার আগে ব্লুটুথ চালু করে নিতে হবে পিসি সেটিংস থেকে(উইন্ডোজ ৮.১);অন্য অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে কি করতে হবে তার সম্পর্কে আমার ধারণা নেই,তার জন্য দুঃখিত।তবে আপনারা ব্লুটুথ সম্পর্কে ইন্টারনেটে সার্চ দিলেই বিস্তারিত পাবেন।আর একান্ত দরকার না হলে  ব্লুটুথ ইউজ না করার পরামর্শ দিচ্ছি কারণ এতে কানেকশন এস্টাব্লিসের জন্য দক্ষতার প্রয়োজন হয়।এছাড়া আপনি এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য নেওয়ার জন্য পেন ড্রাইভ তো ইউজ করতেই পারেন।

চুরি যাওয়া থেকে বাঁচানো


কম্পিউটার যদি ল্যাপটপ হয় তবে তা চুরি যাওয়ার সম্ভবনা তো থেকেই যায়।এন্ড্রোয়েডে যেমন গুগলের “এন্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার”,আইফোনে “ফাইন্ড মাই আইফোন” আছে,তেমনি উইন্ডোজের জন্যও আছে তবে সেটা শুধু মাত্র উইন্ডোজ ১০ এ কার্যকর।১০ যাদের নেই তারা একটি থার্ড পার্টি অ্যাপ ইউজ করতে পারেন যেটার নাম “Prey”;এটি আপনার চুরি যাওয়া ল্যাপটপ খুঁজতে সাহায্য করবে।তবে আমার পরামর্শ হলো কম্পিউটার যদি ল্যাপটপ হয় তবে তা নিরাপদে রাখবেন,সবসময় ঢোকার জন্য পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখবেন,প্রয়োজনীয় সব তথ্যাবলি লক রাখা ভালো;সেজন্য উইন্ডোজ এর বিট লকার সুবিধা টি ব্যবহার করতে পারেন।তবে মনে রাখবেন,Prevention is better than cure…প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।

নিজের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি নিরাপদে রাখা :


কম্পিউটার যদি ট্রোজান দ্বারা আক্রান্ত হয় তবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি চুরি যেতে পারে। সেজন্য নিরাপদে থাকা প্রয়োজন।ইন্টারনেট খুব একটা নিরাপদ মাধ্যম নয়।এখানে খুব সহজেই সহজ সরল ব্যবহার কারী (যাদের আইটি বিষয়ে বিশদ জ্ঞান নেই) আক্রান্ত হতে পারেন।সেজন্য সবসময় সতর্ক থাকা উচিত। নেট ব্যবহারের সময় ভালো ব্রাউজার যেমন গুগল ক্রোম,মজিলা ফায়ার ফক্স ইউজ করবেন।অযথা কোনো লিংকে ভিজিটের দরকার নেই।কোনো ওয়েব সাইট থেকে কিছু ডাউনলোডের প্রয়োজন পড়লে সব সময় দেখে শুনে ক্লিক করবেন কারন বেশির ভাগ সাইটে ডাউন লোড লিংক ব্যতীত ডাউনলোড লোগো ওয়ালা মিথ্যা লিংক বেশী থাকে।যেগুলোতে ক্লিক করলে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বেশী।

এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় পাসওয়ার্ড প্রবেশের ক্ষেত্রে এন্টিভাইরাসের কি-বোর্ড ইউজ করা ভালো।কারন ভাইরাস অনেক সময় ফিজিকাল কী-বোর্ডের লগ রেকর্ড করতে পারে।আরেকটি ব্যাপার,আমাদের দেশে যেহেতু ক্র্যাক সফটওয়্যার চলে তাই জেনুইন সফটওয়্যার কিনতে হলে আপনাকে ক্রেডিট কার্ড ইউজ করতে হবে এবং আসল সফটওয়্যারের দাম শুনলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন,ভাববেন সামান্য একটা সফটওয়ারের এতো দাম কেন হবে? উল্লেখ্য দোকানে যেসব অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে দেয় সেগুলো ক্র্যাক সিডি আকারে কিনলে ৫০ টাকা আর জেনুইন কিনলে ৮০০০+।তো যা বলছিলাম,ক্র্যাক সফটওয়্যার ইউজ করলে সবসময় এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে নিবেন।নয়তো ভাইরাস অ্যাটাক করতে পারে। খুব সংবেদনশীল ছবি বা ভিডিও কম্পিউটার দিয়ে না তোলাই ভালো,কারণ আজকাল ট্রোজান দিয়ে এসব জিনিস চুরি যাওয়া লক্ষণীয় হারে বাড়ছে আর সব এন্টিভাইরাস সব ধরতে পারে না,তাই এন্টিভাইরাস আছে বলেই যে পূর্ণ নিরাপত্তা পাবেন,এটা ভাববেন না।অন্যের পেনড্রাইভ বা এরকম কিছু ইউজ করার আগে স্ক্যান করে নিবেন। উপরিউক্ত জিনিস গুলো করলে নিজের তথ্য গুলো মোটামুটি নিরাপদে রাখা যায় বলে আমি মনে করি।

তো আজকে এই পর্যন্তই।রিডারদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ দয়া করে আমার টিউন কপি করবেন না।প্রত্যেক ভালো টিউনারই অনেক কষ্ট করে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে টিউন করেন।আমরা যদি তাদের পরিশ্রমের মূল্য না দেই তবে কেমন করে হবে?একদিন তো নিজের সাথেও এমন ঘটতে পারে।আর অন্যের জিনিস নকল করে সুনাম কি সব সময় পাওয়া যাবে?একদিন না একদিন অবশ্যই ধরা খেতে হবে এবং তা নিজের কাছেই খারাপ লাগার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।তাই আপনাদের কাছে একান্ত অনুরোধ রইলো,কপি করবেন না।ভালো না লাগলে চলে যাবেন,বেশী খারাপ লাগলে টিউমেন্টই না হয় করলেন।তবে কপি করতে পারেন না।

আর ভালো লাগলে ধন্যবাদ জানাতে ভুলবেন না কিন্তু !! সবাই ভালো থাকবেন,ধন্যবাদ।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget